পরমাণু অস্ত্রের মজুত কমানো নিয়ে পুতিনের সঙ্গে আলোচনা করেছেন ট্রাম্প

রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শেষে ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই নিশ্চয়তা কেমন হবে, তার বিস্তারিত নিয়ে কাজ চলছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

Aug 26, 2025 - 20:56
 0  4
পরমাণু অস্ত্রের মজুত কমানো নিয়ে পুতিনের সঙ্গে আলোচনা করেছেন ট্রাম্প
ছবি, সংগৃহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শেষে ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই নিশ্চয়তা কেমন হবে, তার বিস্তারিত নিয়ে কাজ চলছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। গতকাল সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের এ কথাগুলো বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ১৫ আগস্ট আলাস্কায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। এর দুই দিন পর ১৮ আগস্ট হোয়াইট হাউসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে আলাপ করেন তিনি। ওই বৈঠকে যুদ্ধ–পরবর্তী ইউক্রেনে নিরাপত্তার ওপর জোর দেওয়া হয়।

ওই বৈঠকের দিনই ইউক্রেনে নিরাপত্তায় সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পরে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশ যুদ্ধ শেষে ইউক্রেনে তাদের সেনা মোতায়েনের কথা জানায়। তবে এর বিরোধিতা করেছে রাশিয়া। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ রোববার বলেন, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যসহ কয়েকটি দেশের ইউক্রেনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তাদাতা হওয়া উচিত।

সোমবার হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্রের ভান্ডার নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ শেষে ওয়াশিংটন ও মস্কোর বিশাল পরমাণু অস্ত্রের মজুত সীমিত করার বিষয়ে ১৫ আগস্ট আলোচনা করেছেন তিনি ও রুশ প্রেসিডেন্ট। তাঁরা পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চান। এটি খুব বেশি পরিমাণ শক্তি।

এ সময় সাংবাদিকেরা ট্রাম্পের কাছে জানতে চান, পুতিন কেন জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে বসতে চান না বলে মনে হচ্ছে? মার্কিন প্রেসিডেন্টের সোজাসাপ্টা জবাব ছিল, ‘কারণ, তিনি (পুতিন) তাঁকে (জেলেনস্কি) পছন্দ করেন না।’ অথচ কয়েক দিন আগেই ট্রাম্প বলেছিলেন, পুতিন এই যুদ্ধ থামাতে চান না বলে তাঁর মনে হয়।

এদিকে ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে সোমবার ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। বৈঠকে ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে ছিলেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি, ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা, ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিনা ভালতোনেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস।