ভারত থেকে ৫২৫ টন চাল আমদানি, দাম কমার আশা ব্যবসায়ীদের

দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর যশোরের বেনাপোল দিয়ে আবারও ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়েছে। ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে দুই চালানে মোট ৫২৫ মেট্রিক টন চাল দেশে প্রবেশ করেছে।

Aug 25, 2025 - 17:40
 0  2
ভারত থেকে ৫২৫ টন চাল আমদানি, দাম কমার আশা ব্যবসায়ীদের
ছবি-সংগৃহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর যশোরের বেনাপোল দিয়ে আবারও ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়েছে। ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে দুই চালানে মোট ৫২৫ মেট্রিক টন চাল দেশে প্রবেশ করেছে। 

মোট ১৫ ট্রাকে আসা এই চালের মধ্যে এক চালানে ছিল ৩১৫ টন এবং অন্যটিতে ২১০ টন। চালগুলো আমদানি করেছে মেসার্স হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স।

ভারতীয় রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে লক্ষ্মী ট্রেডিং কম্পানি ও শর্মা অ্যাগ্রো লিমিটেড।

আমদানিকারক আব্দুস সামাদ জানান, ‘চালের বাজার অনেকদিন ধরেই অস্থির। সরকার আমদানির অনুমতি দেওয়ার পর দ্রুত চাল এনেছি। আশা করি, এতে বাজারে কিছুটা স্বস্তি আসবে।

বেনাপোল আমদানি ও রপ্তানি কারক সমিতির সভাপতি হাজী মহাসিন মিলন বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য—ভোক্তার কাছে স্বস্তিতে চাল পৌঁছে দেওয়া। আমদানির প্রক্রিয়াটি সহজ হলে আরো বেশি চাল আনা সম্ভব হবে। সরবরাহ বাড়লেই বাজারে স্থিতিশীলতা আসবে।’

যশোরের খুচরা ব্যবসায়ী মো. জাহিদ হাসান জানান, ‘গত কয়েক সপ্তাহে মোটা চালের দাম কেজিতে ৫-৭ টাকা পর্যন্ত বেড়েছিল।

এতে সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়ে। এখন নতুন চাল এলে কিছুটা হলেও দাম কমবে।’

পাইকারি ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন বলেন, ‘যত বেশি আমদানি হবে, বাজার তত দ্রুত স্থিতিশীল হবে। আমাদের ধারণা, নতুন চাল এলে পাইকারি দাম কেজিতে ৩-৪ টাকা পর্যন্ত কমবে।’

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক মো. শামীম হোসেন বলেন, ‘দুই চালানের সবগুলো ট্রাক বন্দরে পৌঁছেছে এবং খালাস সম্পন্ন হয়েছে।

কাস্টমস প্রক্রিয়া শেষে খুব দ্রুতই চাল বাজারে পৌঁছাবে। এতে শুধু বাজারে স্বস্তি আসবে না, সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।’

গত বছর (২০২৪ সালে) বেনাপোল দিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছিল। তবে চলতি অর্থবছরে শুরুতে নীতিগত কারণে কয়েক মাস চাল আমদানি বন্ধ থাকায় বাজারে চাহিদা-সরবরাহে অসামঞ্জস্য দেখা দেয়। 

বর্তমানে বাজারে সরু চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৫-৭২ টাকা কেজি দরে এবং মোটা চাল ৫২-৫৭ টাকা দরে। পাইকারদের ধারণা, আমদানিকৃত চাল বাজারে এলে দাম কেজিতে আরো ৩-৪ টাকা কমতে পারে।

এমবি এইচআর