বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যশোর জেলা শাখার বিরুদ্ধে কমিটি বাণিজ্যের অভিযোগ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যশোর জেলা শাখার বিরুদ্ধে উপজেলা কমিটি গঠনের নামে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। মনিরামপুর শাখার কয়েকজন নেতা অভিযোগ করেন, একটি আহ্বায়ক কমিটি দেওয়ার জন্য জেলা পর্যায়ের ৩ নেতা তাদের কাছে আড়াই লাখ টাকা দাবি করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যশোর জেলা শাখার বিরুদ্ধে উপজেলা কমিটি গঠনের নামে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। মনিরামপুর শাখার কয়েকজন নেতা অভিযোগ করেন, একটি আহ্বায়ক কমিটি দেওয়ার জন্য জেলা পর্যায়ের ৩ নেতা তাদের কাছে আড়াই লাখ টাকা দাবি করেন।
সোমবার (৭ জুলাই) গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগটিকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যশোর জেলা শাখার অন্যতম সংগঠক মেহেদী হাসান।
মনিরামপুর শাখার সদস্য হাসান ইকবাল সানি, শরিফ মাহমুদ ও নাসিমুল বারী সাইমুম জানান, গত ৩০ জুন সন্ধ্যায় যশোর জেলা কমিটির সংগঠক মেহেদী হাসান তাদের ফোন করে জানান, মনিরামপুর উপজেলা কমিটি দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করবেন জেলা নেতারা। এরপর ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল যশোর সিটি প্লাজায় পৌঁছালে সেখানে উপস্থিত যশোর জেলা কমিটির সংগঠক মেহেদী হাসান তাদের কাছে কমিটি দেওয়ার শর্ত হিসেবে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন।
তারা বলেন, সিটি প্লাজার ছাদে নিয়ে গিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে মেহেদী হাসান তাদের কাছে কমিটি দেওয়ার শর্ত হিসেবে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। তখন তারা আপত্তি জানালে জেলা নেতারা বলেন, ৮০ জনের খসড়া তালিকা আছে, প্রত্যেকে যদি ২ হাজার টাকা দেয়, তাহলেই তো ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা হয়ে যায়।
অভিযোগকারীরা আরও বলেন, স্কুল-কলেজ পর্যায়ের অ্যাডহক কমিটিতেও আহ্বায়ক পদের জন্য ২ লাখ এবং সদস্য পদের জন্য ১ লাখ টাকা করে আদায় করা হয়েছে বলে তারা জেলা নেতাদের মুখ থেকেই শুনেছেন। এ সংক্রান্ত অডিও রেকর্ড প্রমাণ হিসেবে তাদের কাছে আছে বলে দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সংগঠক মেহেদী হাসান বলেন, সানি, শরিফ ও সাইমুম নিজেরাই আমাদের গ্রুপে মেসেজ দিয়ে কমিটির জন্য যোগাযোগ করেন। আড়াই লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিল মজা করে, এটি কোনো সিরিয়াস দাবি ছিল না। তারা টাকা দিয়ে কমিটি নেবে কি না, এজন্য মজা করে আড়াই লাখ টাকা চাওয়া হয়।
তবে এখনও পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এমবি/এসআর