মুক্তির ১৮ দিনেই এক বিলিয়ন ডলার ছুঁল ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’

মুক্তির মাত্র ১৮ দিনের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে এক বিলিয়ন ডলার আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে জেমস ক্যামেরনের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’।

Jan 5, 2026 - 17:13
 0  2
মুক্তির ১৮ দিনেই এক বিলিয়ন ডলার ছুঁল ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’
ছবি, সংগৃহীত

মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ

মুক্তির মাত্র ১৮ দিনের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে এক বিলিয়ন ডলার আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে জেমস ক্যামেরনের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ছবিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ০৮৩ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা।

বক্স অফিস পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উত্তর আমেরিকার বাজার থেকে ছবিটি আয় করেছে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে ৭৭৭ দশমিক ১ মিলিয়ন ডলার। বিনোদনভিত্তিক প্রভাবশালী গণমাধ্যম ভ্যারাইটি এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ‘অ্যাভাটার’ সিরিজের তৃতীয় কিস্তি হিসেবে ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ বিলিয়ন ডলার ক্লাবে পৌঁছাতে আগের দুই ছবির তুলনায় কিছুটা বেশি সময় নিয়েছে। ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম ‘অ্যাভাটার’ এই মাইলফলক ছুঁয়েছিল ১৭ দিনে, আর ২০২২ সালের ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ নিয়েছিল মাত্র ১৪ দিন। তবে তৃতীয় কিস্তিটিও মুক্তির পর থেকে বড় পর্দায় শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে।

এর আগে প্রথম ‘অ্যাভাটার’ বিশ্বব্যাপী আয় করেছিল প্রায় ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার এবং দ্বিতীয় কিস্তির আয় ছিল প্রায় ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার।

‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ ভবিষ্যতে দুই বিলিয়ন ডলারের ঘর স্পর্শ করতে পারবে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে সেই সম্ভাবনার বড় ভরসা আন্তর্জাতিক বাজার। কারণ, আগের দুই ‘অ্যাভাটার’ ছবির আয়ের বড় অংশই এসেছিল বিদেশি বাজার থেকে।

তৃতীয় কিস্তিতে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আয় এসেছে চীন থেকে—১৩৮ মিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে ফ্রান্স (৮১ মিলিয়ন ডলার), জার্মানি (৬৪ মিলিয়ন ডলার) ও দক্ষিণ কোরিয়া (৪৪ মিলিয়ন ডলার)।

বক্স অফিসে ২০২৫ সাল ডিজনির জন্যও অত্যন্ত সফল সময় পার করছে। ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ ও ‘জুটোপিয়া ২’-এর পর ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ চলতি বছরে ডিজনির তৃতীয় ছবি, যা এক বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে। এ বছর এখন পর্যন্ত ডিজনির মোট বৈশ্বিক আয় দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার, যা কোভিড-পরবর্তী সময়ে সর্বোচ্চ।

সিনেমাটির গল্পে দেখা যায়, জেক সুলি, নেইতিরি ও তাদের পরিবার প্যান্ডোরার এক নতুন আগুনঘেরা শত্রুর মুখোমুখি হয়। এই ছবির মাধ্যমে জেমস ক্যামেরনের পরিচালিত চতুর্থ ছবি হিসেবে এক বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অর্জন করল ‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। একই সঙ্গে ইতিহাসের একমাত্র নির্মাতা হিসেবে তার ঝুলিতে রয়েছে তিনটি দুই বিলিয়ন ডলারের ব্লকবাস্টার।

এমবি এইচআর