অশ্লীলতার অভিযোগ দেশীয় ওটিটি কন্টেন্টে!
ওয়াহিদ তারেকের ‘বুমেরাং’, সুমন আনোয়ারের ‘সদরঘাটের টাইগার’ ও শিহাব শাহীনের ‘আগস্ট ১৪’ সিরিজগুলোর বিরুদ্ অশ্লীলতার অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই অভিযোগের পর থেকেই সে পথে হাঁটেননি দেশীয় নির্মাতারা।

নিজস্ব প্রতিবেদক: ওয়াহিদ তারেকের ‘বুমেরাং’, সুমন আনোয়ারের ‘সদরঘাটের টাইগার’ ও শিহাব শাহীনের ‘আগস্ট ১৪’ সিরিজগুলোর বিরুদ্ অশ্লীলতার অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই অভিযোগের পর থেকেই সে পথে হাঁটেননি দেশীয় নির্মাতারা।
তবে শাহরিয়ার নাজিম জয় নির্মাণ করতে গিয়ে বানিয়ে ফেললেন অশ্লীল কন্টেন্ট। এমনই অভিযোগ উঠেছে।
গত কোরবানির ঈদে আইস্ক্রিনে মুক্তি পাওয়া ‘পাপ কাহিনী’ ওয়েব সিরিজে রগরগে দৃশ্য উঠে এলো। ৩ পর্বের ওয়েব সিরিজ পাপ কাহিনী বানিয়েছেন শাহরিয়ার নাজিম জয়। সিরিজটির অন্যতম প্রধান চরিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে আরও আছেন রুনা খান, মৌসুমী মৌ, তানজিয়া মিথিলা প্রমুখ।
ওয়েব সিরিজের গল্পে মফিজ নামের এক ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে। তার স্ত্রীর প্রচুর সম্পদ। তবে বউকে ভালো লাগে না মফিজের। অন্য নারীর প্রতি তার চোখ।
একসময় তার চোখ পড়ে স্ত্রীর বোনের দিকে। তবে সেটা হাতেনাতে ধরে ফেলে স্ত্রী। মফিজ তার কাছে মাফ চেয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। একসময় হত্যার জন্য স্ত্রীকে মাঝনদীতে ফেলে দেয়। কিন্তু প্রাণে বেঁচে যায় মফিজের স্ত্রী।
প্রায় প্রতিটি দৃশ্যে অশ্লীল সংলাপ শোনা গেছে মফিজ চরিত্রে অভিনয় করা জয়ের মুখে। অহেতু এসব সংলাপ ব্যবঅহার করা হয়েছে। প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য স্বামীর সামনে অন্য ব্যক্তির সঙ্গে মিলনের দৃশ্য দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া সিরিজে অভিনেত্রী মৌসুমী মৌর গোসলের দুটি দৃশ্য রয়েছে। উন্মুক্ত পিঠে পানি ঢালা থেকে শুরু করে পুরো দৃশ্যই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে অশালীনভাবে।
প্রচুর মালিক হয়ে মফিজ যখন পতিতালয়ে সময় কাটাচ্ছে, তখন এক বন্ধু পরামর্শ দেয়, তার উচিত সিনেমায় টাকা ঢালা। তবেই নায়িকাদের নিজের করে পাওয়া যাবে। যত নামী নায়িকাই হোক না কেন।
আসলেই কি এমনটা হয় শোবিজে? এত বছর মিডিয়ায় কাজ করার পরও এ ধরনের ভাবনা শাহরিয়ার নাজিম জয় কীভাবে পর্দায় দেখালেন, সে প্রশ্ন তুলেছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।
এমবি/এসআর