ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৫০
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় দুটি বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় দুটি বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরাইবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরাইবাড়ি গ্রামে হাবিবুর রহমান তালুকদার ও কবির খান—এই দুই পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধে জড়িত। কেউই কাউকে ছাড় দিতে রাজি না হওয়ায় উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছিল।
গত কয়েকদিন আগে খান গ্রুপের মিন্টু খাঁর একটি ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে তালুকদার গ্রুপের জহির শেখ বাধা দেন। এ নিয়ে মিন্টু ও জহিরের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এরই জেরে মঙ্গলবার সকালে হাবিবুর রহমান তালুকদার ও কবির খানের অনুসারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ এবং আশপাশের গ্রামের মাতব্বররা ঘটনাস্থলে গিয়ে হস্তক্ষেপ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সংঘর্ষের সময় মিন্টু খাঁর দুটি বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আহতদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
তুজারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ অলিউর রহমান বলেন, তালুকদার ও খান গোষ্ঠীর মধ্যে আগে থেকেই আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মাঝেমধ্যেই সংঘর্ষ হয়ে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে একটি ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করেই আজকের এই সহিংস ঘটনার সূত্রপাত।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ মামলা করেনি।
এমবি এইচআর

