ক্যান্টনমেন্ট চেকপোস্টে সেনাসদস্যদের সঙ্গে তর্কে জড়ালেন জামায়াত প্রার্থী, ভিডিও ভাইরাল

ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট চেকপোস্টে গানম্যানসহ প্রবেশকে কেন্দ্র করে সেনাসদস্যদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জামান।

Feb 3, 2026 - 16:14
 0  1
ক্যান্টনমেন্ট চেকপোস্টে সেনাসদস্যদের সঙ্গে তর্কে জড়ালেন জামায়াত প্রার্থী, ভিডিও ভাইরাল
ছবি সংগৃহীত

মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ

ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট চেকপোস্টে গানম্যানসহ প্রবেশকে কেন্দ্র করে সেনাসদস্যদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জামান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, ক্যান্টনমেন্টের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় দায়িত্বে থাকা সেনাসদস্যরা নিরাপত্তা বিধির কথা উল্লেখ করে অস্ত্র ও গানম্যানসহ প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার কথা জানান। এ সময় প্রার্থীর সঙ্গে থাকা একজন পরিচয় দিয়ে বলেন, তিনি ওই আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি।

নিরাপত্তা বিধির ব্যাখ্যা দেওয়ার সময় খালিদুজ্জামান উত্তেজিত হয়ে সেনাসদস্যদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। তিনি অভিযোগ করেন, তার সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে এবং অন্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন আচরণ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার অভিযোগ তোলেন এবং বিষয়টি সেনাপ্রধান পর্যন্ত জানাবেন বলেও হুমকি দেন।

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। সেনাসদস্যরা বারবার জানান, ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্ব সেনাবাহিনীর এবং ভেতরে অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ। তারা প্রার্থীকে নিরাপত্তা বিধি মেনে চলার অনুরোধ করেন।

একপর্যায়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলার পর খালিদুজ্জামান অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ সময় তিনি সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের ভিডিও ধারণের নির্দেশ দিলেও সেনাসদস্যরা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞার কথা জানান।

ঘটনার পুরো ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে সেনাবাহিনী বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এমবি এইচআর