বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিতে সমুদ্রে নামলেন ৩৫ সাঁতারু

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ সৈকত থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ পর্যন্ত ১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ সাগরপথ—যা ‘বাংলা চ্যানেল’ নামে পরিচিত—সাঁতরে পাড়ি দিতে নেমেছেন দেশের ৩৫ জন সাঁতারু।

Jan 17, 2026 - 15:19
 0  3
বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিতে সমুদ্রে নামলেন ৩৫ সাঁতারু
ছবি, সংগৃহীত

মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ সৈকত থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ পর্যন্ত ১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ সাগরপথ—যা ‘বাংলা চ্যানেল’ নামে পরিচিত—সাঁতরে পাড়ি দিতে নেমেছেন দেশের ৩৫ জন সাঁতারু। শুরুতে ৩৭ জন সাঁতারু নাম নিবন্ধন করলেও চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন ৩৫ জন।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম সৈকত থেকে সাঁতার শুরু হয়। প্রতিযোগীরা সাঁতরে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের উত্তর সৈকতে পৌঁছে তাদের যাত্রা শেষ করবেন। সাঁতার উদ্বোধন করেন কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতায় ক্রীড়া পরিদপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘তারুণ্যের উৎসব’-এর অংশ হিসেবে নিয়মিত এই আয়োজন করে আসছে ‘ষড়জ অ্যাডভেঞ্চার’। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে প্রতিযোগিতাটি পরিচালিত হচ্ছে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ঢাকসু) সাবেক সদস্য সাইফুল ইসলাম রাসেল। তিনি এর আগে ছয়বার বাংলা চ্যানেল সাঁতরে পাড়ি দিয়েছেন এবং ২০২১ সালে ডাবল ক্রস সম্পন্ন করেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালে ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিটে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়ে তিনি প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন।

সপ্তমবারের মতো বাংলা চ্যানেল জয়ের লক্ষ্যে অংশ নেওয়া সাইফুল ইসলাম রাসেল বলেন, ‘এর আগে ছয়বার বাংলা চ্যানেল সাঁতরে পাড়ি দিয়েছি। ২০২১ সালে ডাবল ক্রস করেছি। আজ সাগর কিছুটা প্রতিকূল হলেও আবারও প্রথম হওয়ার চেষ্টা করব।’

এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন বাংলা চ্যানেল সফলভাবে পাড়ি দেওয়া প্রথম নারী সাঁতারু এমএসটি সোহাগী আক্তারও।

‘কিং অব বাংলা চ্যানেল’ খ্যাত এবং ২০ বার বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেওয়া সাঁতারু ও ষড়জ অ্যাডভেঞ্চারের প্রধান নির্বাহী লিপটন সরকার জানান, এবার দুইজন নারীসহ মোট ৩৫ জন সাঁতারু প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি সাঁতারুর সঙ্গে বোট ও উদ্ধারকর্মী রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বাংলা চ্যানেল সাঁতারকে আমরা আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যেতে পেরেছি। অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

এবারের আয়োজনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে ঢাকা ব্যাংক পিএলসি। পাওয়ার্ড বাই পৃষ্ঠপোষক ডাইনামিক ডেন্টিস্ট্রি এবং ইভেন্ট পার্টনার হিসেবে রয়েছে ভিসাথিং, স্টুডিও ঢাকা ও সরকার এগ্রো।

এমবি এইচআর