দিপু হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্বদানকারী ইয়াছিন আরাফাত গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানাধীন পাইওনিয়ার নিটওয়্যার বিডি লিমিটেডে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর দিপু চন্দ্র দাস (২৮) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইয়াছিন আরাফাত (২৫) নামে আরেক নেতৃত্বদানকারী আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Jan 8, 2026 - 14:39
 0  3
দিপু হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্বদানকারী ইয়াছিন আরাফাত গ্রেপ্তার
ছবি, সংগৃহীত

মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ

ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানাধীন পাইওনিয়ার নিটওয়্যার বিডি লিমিটেডে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর দিপু চন্দ্র দাস (২৮) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইয়াছিন আরাফাত (২৫) নামে আরেক নেতৃত্বদানকারী আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহযোগিতায় ঢাকার ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ইয়াছিন আরাফাতের বাবার নাম গাজী মিয়া এবং মায়ের নাম সফুরা খাতুন। তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি এলাকার কড়ইতলা মোড়ে। তিনি পেশায় একজন মাদরাসা শিক্ষক। দিপু হত্যাকাণ্ডের পরপরই তিনি আত্মগোপনে চলে যান বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের সময় কারখানার ফটকে স্লোগান দিয়ে লোকজন জড়ো করা, ভুক্তভোগী দিপুকে দলবদ্ধভাবে মারধর করে ফটকের সামনে হত্যা করা এবং পরবর্তী সময়ে রশি দিয়ে মরদেহ টেনে-হিঁচড়ে স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় নিয়ে গিয়ে মরদেহ পোড়ানোর ঘটনায় নেতৃত্বদানকারী কয়েকজনের মধ্যে ইয়াছিন আরাফাত অন্যতম।

ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

পুলিশের তথ্যমতে, দিপু হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ২১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় বিজ্ঞ আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং ৯ জন আসামি একই ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। ইতোমধ্যে ১৮ জন আসামিকে রিমান্ড শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামিদের পুলিশের রিমান্ডে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৮ ডিসেম্বর রাত পৌনে ৯টার দিকে সহকর্মীর সঙ্গে কথা বলার সময় মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি করেন বলে অভিযোগ ওঠে দিপু চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে। এরপর বিক্ষুব্ধ লোকজন তাকে কারখানা থেকে বের করে এনে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে মহাসড়কের ডিভাইডারের একটি গাছে মরদেহ ঝুলিয়ে আগুন দিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনার পরদিন ১৯ ডিসেম্বর নিহতের ভাই অপু দাস দেড় শতাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

এমবি এইচআর