জাল সনদে চাকরি ও প্রতারণার দায়ে প্রধান শিক্ষককে কারাদণ্ড
ঝিনাইদহে জাল সনদ ব্যবহার, প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ ও চাকরিতে প্রতারণার দায়ে অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন-সালেহা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক রনি আক্তারকে ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহে জাল সনদ ব্যবহার, প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ ও চাকরিতে প্রতারণার দায়ে অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন-সালেহা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক রনি আক্তারকে ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে ঝিনাইদহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মাসুদ আলী এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি ঝিনাইদহ কোর্ট পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
দণ্ডিত রনি আক্তার ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পুটিয়া গ্রামের নরুল ইসলামের ছেলে। তিনি গোয়ালপাড়ার অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন-সালেহা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দায়িত্বে থাকার সময় তিনি নিয়োগ বাণিজ্য ও প্রতিষ্ঠানটির বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
২০২২ সালের জুলাইয়ে বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হওয়ার পর রনি আক্তার সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণের উদ্দেশ্যে শিক্ষক নিবন্ধন ও বিএডসহ বিভিন্ন সনদ জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে এসব সনদ ভুয়া প্রমাণিত হয় এবং তার সরকারি বেতন-ভাতা বাতিল করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পরে ২০২৪ সালের ১৪ নভেম্বর বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসরিন আক্তার প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করেন।
এমবি/টিআই

