নড়াইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক বহিষ্কার
শৃঙ্খলাভঙ্গ ও দলীয় আদর্শ পরিপন্থী আচরণসংক্রান্ত কারণ দর্শানোর নোটিশের (শোকজ) জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় নড়াইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শৃঙ্খলাভঙ্গ ও দলীয় আদর্শ পরিপন্থী আচরণসংক্রান্ত কারণ দর্শানোর নোটিশের (শোকজ) জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় নড়াইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জবাব সন্তোষজনক হওয়ায় অন্য দুই নেতাকে তাঁদের পদে পুনর্বহাল করা হয়েছে। পৃথক দুটি নোটিশে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।বহিষ্কৃত ওই নেতার নাম রাশেদুল ইসলাম। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নড়াইল সদর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক। অন্যদিকে পদে পুনর্বহাল হওয়া হওয়া দুই নেতা হলেন জেলা শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব আবদুর রহমান ও আমিরুল ইসলাম।
বহিষ্কারের বিষয়ে আপিল করার তথ্য জানিয়ে রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাকে বহিষ্কার নোটিশ ফেসবুকে দেখেছি। তবে আমার হাতে আসেনি। আমি আপিল করব। আশা করছি, তারা এ আদেশ প্রত্যাহার করে নেবে।’
সংগঠনটির নেতা-কর্মী সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জুন সংগঠনের ফেসবুক পেজে জেলা প্রশাসককে উদ্দেশ করে একটি পোস্ট দেন আবদুর রহমান। পোস্টে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একটি ছবি সংযুক্ত করে প্রশাসনকে শহীদ, আহত ও সাধারণ মানুষের প্রতি আরও যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পোস্টটি পরে আরেক যুগ্ম সদস্যসচিব আমিরুল ইসলাম মুছে ফেলেন। এ নিয়ে মেসেঞ্জার গ্রুপে দুজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। এরপর ৮ জুন সিনিয়র নেতারা মীমাংসার চেষ্টা করলেও তাঁরা সাড়া দেননি। পরদিন ৯ জুন নড়াইল শহরের পুরাতন বাস টার্মিনালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে দুই-তিনজন আহত হন। আমিরুলের পক্ষে মারামারিতে অংশ নেন রাশেদুল ইসলাম। পরে ১১ জুন এ ঘটনায় সংগঠনটির তিন নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।
এমবি/এসআর