কুড়িগ্রামে ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীত, ভোগান্তিতে নিম্নআয়ের মানুষ
উত্তরের সীমান্ত জেলা কুড়িগ্রামে শীতের দাপট ক্রমেই বাড়ছে। টানা তিন দিন ধরে জেলার তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে অবস্থান করছে।
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ
উত্তরের সীমান্ত জেলা কুড়িগ্রামে শীতের দাপট ক্রমেই বাড়ছে। টানা তিন দিন ধরে জেলার তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে অবস্থান করছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস—এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার।
এর আগের দিন বুধবার তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৩ ডিগ্রি, মঙ্গলবার ১২ ডিগ্রি এবং সোমবার ছিল ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভোর থেকে ঘন কুয়াশায় পুরো জেলা ঢেকে থাকছে। রাস্তাঘাট ফাঁকা, বিশেষ করে দিনমজুর, রিকশাচালক ও নিম্ন আয়ের মানুষের ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি।
জানা গেছে, জেলা সদর হাসপাতাল ও বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। শিশু ও বয়স্ক রোগীদের মধ্যে সর্দি, কাশি, জ্বরের উপসর্গ বৃদ্ধি পেয়েছে। চরাঞ্চলের মানুষরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে—খোলা পরিবেশে হিমেল বাতাসে রাত কাটানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
ব্রহ্মপুত্র ঘেরা বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ বালাডোবা চরের আবেদ আলী ও মুনছুর আলী জানান, সন্ধ্যার পর থেকেই বাতাসের সঙ্গে কুয়াশা নেমে আসে। গাছপালা কম থাকায় শীতের প্রকোপ আরও বেশি অনুভূত হয়। এতে শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।
কুড়িগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয় জানায়, শীতবস্ত্র ক্রয়ের জন্য জেলার ৯টি উপজেলায় ৬ লাখ করে মোট ৫৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, কুড়িগ্রামে আরও কয়েকদিন শীত ও কুয়াশা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিদিনই কুয়াশার ঘনত্ব বাড়ছে, সামনে শীতের তীব্রতাও আরও বাড়বে।
এমবি এইচআর

