পরকীয়ার সন্দেহে উর্মিকে হত্যা করেন রানা
কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং এলাকার একটি ভাড়া বাসায় গৃহবধূ উর্মি খাতুনকে (৩০) হত্যার দায় স্বীকার করেছেন তার স্বামী আবু বক্কর সিদ্দিক রানা (৩৫)। মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর গেট এলাকা থেকে রানাকে গ্রেফতার করে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ।

নিজস্ব প্রতিবেদক: কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং এলাকার একটি ভাড়া বাসায় গৃহবধূ উর্মি খাতুনকে (৩০) হত্যার দায় স্বীকার করেছেন তার স্বামী আবু বক্কর সিদ্দিক রানা (৩৫)। মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর গেট এলাকা থেকে রানাকে গ্রেফতার করে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রানা স্বীকার করেছেন, স্ত্রীর পরকীয়ার সন্দেহে তিনি ক্ষিপ্ত ছিলেন। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রানা স্ত্রী উর্মিকে মারধর করে গলাটিপে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে তিনি বাইরে থেকে ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান। গত শনিবার (৯ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে হাউজিং এফ ব্লকের একটি ভাড়া বাসা থেকে উর্মির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
মৃত উর্মি খাতুন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার জিয়ারখী ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের মহিম মণ্ডলের মেয়ে। প্রায় পাঁচ বছর আগে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ এলাকার রানা খানের সঙ্গে তার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। তারা কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এবং সিটি কলেজের সামনে একটি কাপড় ও খাবারের দোকান পরিচালনা করতেন।
নিহতের ভাই আবু সাইদ অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই রানা মাদকাসক্ত ছিলেন এবং এ কারণে একাধিকবার কারাগারে যান। তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকত। মারধর ও শ্বাসরোধ করে উর্মিকে হত্যা করা হয়েছে।
এমবি এইচআর