বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ
১ জুলাই থেকে বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ‘সাময়িক সময়ের জন্য এই কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।’ তবে কবে নাগাদ পুনরায় চালু হবে সে বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

মেঘনাবার্তা ডেস্কঃ বিগত ৩০ জুন জেলা কালচারাল কর্মকর্তা অসিত বরণ দাশগুপ্ত স্বাক্ষরিত দুই লাইনের একটি নোটিশে ১ জুলাই থেকে বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ‘সাময়িক সময়ের জন্য এই কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।’ তবে কবে নাগাদ পুনরায় চালু হবে সে বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার ফলে সহস্রাধিক শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক চর্চা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জানা যায়, শিল্পকলার প্রশিক্ষকদের সঙ্গে এই কর্মকর্তা ব্যক্তিগত মতের অমিল হওয়ায় সরকার নির্ধারিত কার্যক্রম বন্ধ করেছেন।
কতিপয় প্রশিক্ষকদের অভিযোগ, কালচারাল কর্মকর্তা অসিত বরণ দাশগুপ্ত তার পছন্দের ব্যক্তিদের প্রশিক্ষক হিসেবে চুক্তিবদ্ধ করতে তাদের বাদ দিতে চাইছেন। তিনি তার পছন্দের এমন কয়েকজন লোক শিল্পকলায় রাখেন যারা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন।
এই ঘটনায় বাংলাদেশ শিল্পকলার মহাপরিচালকের কাছে সমাধান চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন, উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত প্রশিক্ষক মৈত্রী ঘরাই, সাধারণ সঙ্গীত প্রশিক্ষক রিমি সাব্বির ও রফিকুল ইসলাম, রবীন্দ্র সঙ্গীত প্রশিক্ষক দেলোয়ারা ইনু, উচ্চাঙ্গ নৃত্য প্রশিক্ষক জয়ন্তী রায়, সাধারণ নৃত্য প্রশিক্ষক রাণী গোমেজ, চারুকলা প্রশিক্ষক সৈয়দ নাজমুল আলম, নাটক ও আবৃত্তি প্রশিক্ষক অনিমেশ সাহা, তালযন্ত্র পশিক্ষক গণেশ চন্দ্র রায়, ললিত কুমার দাস, সুশান্ত কুমার সাহা ও নিক্কন বিশ্বাস।
সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ বন্ধের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে একাডেমির কালচারাল কর্মকর্তা অসিত বরণ দাশগুপ্ত বলেন, ‘এটি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কর্তৃপক্ষের মৌখিক নির্দেশনা সাপেক্ষে কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। কোনোভাবেই আমার একক সিদ্ধান্তে বন্ধ করার সুযোগ নেই।’
এমবি/এসআর