খাগড়াছড়িতে তিন পাহাড়ি সংগঠনের ডাকা সড়ক অবরোধ চলছে
খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ–সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, হিল উইমেন্স ফেডারেশন ও নারী আত্মরক্ষা কমিটির ডাকা আধা বেলা সড়ক অবরোধ চলছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি: খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ–সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, হিল উইমেন্স ফেডারেশন ও নারী আত্মরক্ষা কমিটির ডাকা আধা বেলা সড়ক অবরোধ চলছে। অবরোধের কারণে আজ বুধবার সকাল ছয়টা থেকে ঢাকা-খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি ও খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কে যান চলাচল অনেকটাই বন্ধ রয়েছে। অবরোধের সমর্থনে জেলার বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছের গুঁড়ি ফেলে বিক্ষোভ করেছেন অবরোধকারীরা।
মানিকছড়ি-গুইমারা সীমান্তবর্তী তবলাপাড়ায় গ্রামবাসীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে এবং জড়িত ছয়জন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার এই অবরোধের ডাক দেয় তিন সংগঠন। পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক স্বপন চাকমার পাঠানো বিবৃতিতে কর্মসূচির তথ্য জানানো হয়।
আজ ভোরে অবরোধের সমর্থনে খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়কের চেঙ্গীব্রিজ এলাকা, পেরাছড়া ও টেকনিক্যাল স্কুলের সামনে টায়ার জ্বালিয়ে এবং গাছের গুঁড়ি ফেলে বিক্ষোভ করেন অবরোধকারীরা। পরে পুলিশ গিয়ে সড়ক থেকে টায়ার ও গাছের গুঁড়ি অপসারণ করে। চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কের গুইমারা মানিকছড়িসহ বিভিন্ন স্থানেও টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করা হয়েছে।
অবরোধের কারণে তিন সড়কে দূরপাল্লার যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। অটোরিকশাসহ ছোট আকারের কিছু যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেলেও তা পরিমাণে কম। সকালে জেলার পানছড়ি স্টেশনে কথা হয় সুনীল বিকাশ চাকমার সঙ্গে। জানান, পানছড়ি-খাগড়াছড়ি সড়কের কুড়াদিয়াছড়া এলাকায় যাবেন তিনি। তবে অবরোধের কারণে স্টেশনে অপেক্ষা করছেন। অবরোধ শেষ হলে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেবেন।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বাতেন মৃধা বলেন, রাস্তায় দু-একটি টায়ার পোড়ানো হয়েছে। এর বাইরে কোনো ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় ৬ জন সন্ত্রাসী তবলাপাড়ায় গ্রামবাসীর ওপর গুলিবর্ষণ করে। স্থানীয় জনতা সংঘবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ করে তাদের। ওই ঘটনার পর থেকে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে আসছে বিভিন্ন সংগঠন।
এমবি/টিআই

