ফ্যাসিস্টের সহযোগী হিসেবে জাপা ও ১৪ দলের কার্যক্রম স্থগিতের দাবি গণঅধিকারের

আওয়ামী লীগের সহযোগী হিসেবে জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম ও নিবন্ধন স্থগিতের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)। একইসঙ্গে তারা যাতে কোনোভাবেই আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে, সেই পদক্ষেপ গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছে দলটি।

Jul 28, 2025 - 18:10
 0  3
ফ্যাসিস্টের সহযোগী হিসেবে জাপা ও ১৪ দলের কার্যক্রম স্থগিতের দাবি গণঅধিকারের
ছবি, সংগৃহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের সহযোগী হিসেবে জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম ও নিবন্ধন স্থগিতের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)। একইসঙ্গে তারা যাতে কোনোভাবেই আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে, সেই পদক্ষেপ গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছে দলটি। এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ও সরকারের কাছে শিগগিরই একটি স্মারকলিপিও দেবে তারা।

আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে শেষে গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন এ কথা জানান। বৈঠকে গণঅধিকার পরিষদের ২০২৪ অর্থবছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়া হয়। 

রাশেদ খাঁন বলেন, আওয়ামী লীগের মতো জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের নিবন্ধন স্থগিত দাবিতে এর আগেই আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত আবেদন দিয়েছিলাম। আজকের বৈঠকে আমরা ওই আবেদনের অগ্রগতি জানতে চেয়েছিলাম। সিইসি বলেছেন- সরকার যেভাবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে, ঠিক একইভাবে জাতীয় পার্টি ও চৌদ্দ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ না করলে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের করণীয় কিছু নেই। সরকার তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করলেই কেবল নির্বাচন কমিশন নিবন্ধন স্থগিতের পদক্ষেপ নিতে পারে।

তিনি বলেন, গণঅধিকার পরিষদের দাবির প্রেক্ষিতে সিইসি আশ্বাস দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন এমন কোনো পদক্ষেপ নেবে না; যাতে ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তার দোসররা ফিরে আসতে পারে। এ বিষয়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী ও গণঅভ্যুত্থানের সকল শক্তির ঐক্যের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন সিইসি।

গণঅধিকার পরিষদের আয়-ব্যয়ের হিসাব অনুযায়ী গত অর্থবছরের তাদের আয় হয়েছে ৪৬ লাখ ৪ হাজার ৩০০ টাকা। ব্যয় হয়েছে ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৮৮ টাকা। গত বছরের প্রারম্ভিক জমা ছিল পাঁচ হাজার টাকা। সবমিলিয়ে দলটির উদ্বৃত্ত রয়েছে ১৩ হাজার ২১২ টাকা।

এর আগে রাশেদ খাঁনের নেতৃত্বে দলটির তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সিইসির সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে আরও ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য মাহবুব জনি ও আবু হানিফ।

প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠকে আওয়ামী লীগের ‘দোসর’ জাতীয় পার্টির ও ১৪ দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন স্থগিতের ব্যাপারে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে পূর্বে প্রদানকৃত চিঠির বিষয়ে তাদের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চান নেতারা।

এমবি/এইচআর