ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই: জামায়াতকে ফারুকের হুঁশিয়ারি
জামায়াতে ইসলামীর কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক।
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ
জামায়াতে ইসলামীর কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক। রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে জাতীয় বাস্তহারা দলের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
সভায় “আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে বাস্তুহারাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান” শীর্ষক আলোচনায় অংশ নিয়ে ফারুক বলেন, “যত ষড়যন্ত্র করেন, যত রকমের আওয়ামী প্রেত্মাতাদের সঙ্গে সম্পর্ক করে নির্বাচন নিয়ে খেলতে চান—কিছুই হবে না। আপনাদের কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না।”
তিনি আরও বলেন, সারা দেশের মানুষের সমর্থনে সরকারে থাকা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ইতোমধ্যে পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে—এ বক্তব্য ষড়যন্ত্রকারীদের জন্য বড় জবাব।
জামায়াতের অতীত কর্মকাণ্ডের সমালোচনায় ফারুক অভিযোগ করেন, দলটি দীর্ঘ সময় নিষ্ক্রিয় থাকার পর বিভিন্ন মহলের সাথে আঁতাত করে মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার চেষ্টা করেছে এবং এখন কয়েকটি দল নিয়ে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেন, “আমরা যারা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছি, আমাদের সামনে আপনারা পাকিস্তানি সৈন্যদের ঘরে ঘরে পথ দেখিয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়াকে যখন এক কাপড়ে বের করে দেওয়া হলো, তখন আপনারা কোথায় ছিলেন?”
ইলেকশন বর্জন নিয়ে জামায়াত ও অন্যান্য দলগুলোর অবস্থান নিয়েও তিনি সমালোচনা করে বলেন, “একবার পিআর ছাড়া ইলেকশন করবো না, আবার বলছেন গণভোট ছাড়া নির্বাচনে যাবো না। কিন্তু ইলেকশন না করে যাবেন কোথায়? আন্দোলন করবেন কার বিরুদ্ধে—অধ্যাপক ইউনূসের বিরুদ্ধে?”
তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী সরকার দেশে কার্যকর সংসদ, সুশাসন ও স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এছাড়া তিনি গণহত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় কার্যকরের দাবি জানিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসারে বন্দি বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে তাকে দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা উচিত।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাস্তহারা দলের সভাপতি শরীফ রাগিব। এতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আবদুস সালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সিরাজীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।
এমবি এইচআর

