এনসিপি নেতার বাবার বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ

ঢাকার দোহারে সরকারি জমি দখল করতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের রোষানলে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক ও ঢাকা জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মো. রাসেল আহমেদের বাবা মো. হাসেম মোল্লা।

Aug 2, 2025 - 10:57
 0  3
এনসিপি নেতার বাবার বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার দোহারে সরকারি জমি দখল করতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের রোষানলে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক ও ঢাকা জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মো. রাসেল আহমেদের বাবা মো. হাসেম মোল্লা।

জানা যায়, শুক্রবার সকালে জয়পাড়া বাজারের কোটি টাকা মূল্যের সোয়া এক শতাংশ জায়গা বেড়া ও টিন দিয়ে দখল করছেন হাসেম মোল্লা–এমন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন জয়পাড়া বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকসহ অন্যান্য সদস্যরা।

এসময় সরকারি জমি এভাবে দখলের কারণ জানতে চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে হাসেম মোল্লা বাজার কমিটিকে হুমকি দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ব্যবসায়ীদের রোষানলে পড়ে চলে যেতে বাধ্য হন হাসেম মোল্লা। পরে ব্যবসায়ীরা একত্রিত হয়ে বেড়া খুলে দখলমুক্ত করেন।

জয়পাড়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এসএম কুদ্দুস বলেন, ‘এনসিপির একজন কেন্দ্রীয় নেতার বাবা ক্ষমতার জোরে সরকারি জমি দখল করবে, সভাপতি হিসেবে আমি কোনোভাবে মেনে নিতে পারি না। তাই ব্যবসায়ীদের নিয়ে প্রতিবাদ করেছি।’ 

সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজসহ অন্যান্য সদস্যরাও বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারের সরকারি সম্পত্তির ওপরে আবুল হাসেম মোল্লার চোখ পড়েছে গত বছরের ৫ আগষ্টের পরে। এ নিয়ে দুই দফায় তিনি সরকারি জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আবুল হাসেম মোল্লা দাবি করেন, এ জমি তিনি আর এস–এর রেকর্ডীয় মালিক নাসির, শাহিন ও তাঁর ভাইবোনদের কাছ থেকে কিনেছেন। তবে মালিকানার কোনো কাগজ তিনি দেখাতে পারেননি।  

এ বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক ও ঢাকা জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মো. রাসেল আহমেদ বলেন, ব্যাপারটি তিনি অবগত নন। তবে তাঁর বাবার কোনো কাগজপত্র আছে কিনা, সেটা খোঁজ নিয়ে দেখবেন তিনি।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক তানিয়া তাবাসসুম। তিনি বলেন, ‘যদি কেউ বলে থাকে এ জায়গাটি তার এবং এ বিষয়টি প্রশাসন জানে–তবে সে মিথ্যাচার করেছে। বিষয়টি সম্পর্কে জেনে অবশ্যই বিস্তারিত জানাব।’

এমবি/এসআর