নওগাঁয় বৈদ্যুতিক মিটার চোরচক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

Nov 15, 2025 - 19:04
 0  2
নওগাঁয় বৈদ্যুতিক মিটার চোরচক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

মেঘনাবার্তা প্রতিনিধি: নওগাঁয় বৈদ্যুতিক মিটার চুরির সঙ্গে জড়িত আন্তঃজেলা চোরচক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই সময় তাদের কাছ থেকে বৈদ্যুতিক মিটার ও চুরির কাজে ব্যবহৃত আটটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

শনিবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাফিউল সারোয়ার। এর আগে শুক্রবার রাতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন জেলার সদর উপজেলার পাহাড়পুর এলাকার বাসিন্দা মাসুদ রানা (৩৪), ওই উপজেলার আনন্দনগর এলাকার সামাদ দেওয়ানের ছেলে সঞ্জীব দেওয়ান (৩০), চকরামপুর শিয়ালাপাড়া এলাকার পিন্টু সরদারের ছেলে ইরাক (৩২), চকরামপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার সানোয়ারের ছেলে ফায়সাল (৩০), কাঠালতলী ভবানীপুর এলাকার মামুনুর রশিদের ছেলে হাকিম (২৪), আনন্দনগর মৃধাপাড়া এলাকার সেকেন্দার আলীর ছেলে রুবেল (৩২) ও বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া থানার আত্তাব আলীর ছেলে আব্দুল্লাহ (৩০)।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাফিউল সারোয়ার ‘দীর্ঘদিন ধরে নওগাঁ, জয়পুরহাট এবং বগুড়া জেলায় রাতের আঁধারে বৈদ্যুতিক মিটার চুরি করে সংঘবদ্ধ একটি চোরচক্র। চক্রের সদস্যরা মিটার চুরির পর তা ফিরে পেতে মোবাইল ফোন নম্বর মিটার বক্সের মধ্যে রেখে যেতেন। পরে এসব নাম্বারে ফোন করলে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে টাকা দাবি করতেন তারা।

তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি মহাদেবপুর উপজেলার দোহালী গ্রামে অবস্থিত রাজেস কুমার গুপ্তর মালিকাধীন জেকে অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ (রাইস মিল) থেকে বৈদ্যুতিক মিটার চুরি হয়। ওই সময় মিটার বক্সে একটি মোবাইল নম্বর রেখে যায় চোরচক্রটি। এর দুদিন পর একই জায়গায় ডিপ টিউবওয়েল বৈদ্যুতিক মিটার চুরি করে সেখানেও একটি মোবাইল নম্বর রেখে যায় চক্রটি।’

পুলিশ সুপার আরো বলেন, ‘চুরি হওয়া এক মিটারের মালিক এ বিষয়ে বিদ্যুৎ অফিসকে অবগত করলে তারা ভুক্তভোগীকে পুলিশের কাছে পাঠিয়ে দেন।

অভিযোগ পেয়ে ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে জেলার বিভিন্ন এলাকা হতে অভিযুক্তদের আটক করে। আটক প্রত্যেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক বৈদ্যুতিক মিটারসহ চুরি ও ডাকাতির মামলা রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা মিটার চুরির কথা স্বীকার করেছেন। তাদের আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড চাওয়া হবে।’

এমবি/এসআর