টেকনাফ সীমান্তে আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইনে বিস্ফোরণ, যুবকের দুই পা বিচ্ছিন্ন
কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ (২৭) নামের এক যুবক দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন।
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ
কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ (২৭) নামের এক যুবক দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত হানিফ টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল এলাকার বাসিন্দা ও ফজলুল করিমের ছেলে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে নাফ নদ সংলগ্ন নিজের চিংড়ি ঘেরে মাছ শিকারে গেলে বাংলাদেশ ভূখণ্ডের ৫ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছাকাছি এলাকায় হঠাৎ মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই হানিফের দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
স্থানীয়দের দাবি, এর আগের দিন রোববার (১১ জানুয়ারি) মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সদস্যরা গুলি করতে করতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে। পরে ফেরত যাওয়ার সময় তারা সীমান্তসংলগ্ন বাংলাদেশ অংশে মাইন পুঁতে রেখে যায়। সোমবার সকালে হানিফ ওই এলাকায় গেলে মাইন বিস্ফোরণের শিকার হন।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করলে সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে জেলা বিএনপির সদস্য জুনায়েদ আলী চৌধুরী, হোয়াইক্যং ইউনিয়ন উত্তর শাখা বিএনপির সভাপতি হাজি ফেরদৌস আহমদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল আলমের নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরোধ প্রত্যাহার করেন।
ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
মাইন বিস্ফোরণের বিষয়ে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খোকন কান্তি রুদ্র বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে যেতে পারিনি। শুনেছি মাইন বিস্ফোরণে হানিফ নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন।’
এমবি এইচআর

