গ্রিনল্যান্ডে সামরিক বিমান মোতায়েনের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে সামরিক বিমান মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ ইস্যুকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এই ঘোষণা দেয় নর্থ আমেরিকান এয়ারোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড (নোরাড)।
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ
গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে সামরিক বিমান মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ ইস্যুকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এই ঘোষণা দেয় নর্থ আমেরিকান এয়ারোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড (নোরাড)।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) তুরস্কভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার যৌথ প্রতিরক্ষা সংস্থা নোরাড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, শিগগিরই নোরাডের বিমান গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে পৌঁছাবে। সংস্থাটি জানায়, এই মোতায়েন আগে থেকেই পরিকল্পিত কার্যক্রমের অংশ এবং এটি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ডেনমার্কের মধ্যে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।
নোরাড আরও জানায়, ডেনমার্কের সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতেই এই সামরিক মোতায়েন হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সব ধরনের কূটনৈতিক অনুমোদন নেওয়া হয়েছে এবং গ্রিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই বিমানগুলো উত্তর আমেরিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ‘ডিসপার্সড অপারেশনস’-এর অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।
পিটুফিক স্পেস বেস, যা আগে থুলে এয়ার ফোর্স বেস নামে পরিচিত ছিল, গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক ঘাঁটি। এখানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ও যোগাযোগ কেন্দ্র পরিচালিত হয়।
বিশ্লেষকদের একটি অংশের মতে, গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আলাদা করে কোনো বাস্তব প্রয়োজন নেই। কারণ নোরাডসহ বিদ্যমান প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমেই ওয়াশিংটন ইতোমধ্যে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম।
ডেনমার্কের অধীন স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড কৌশলগত আর্কটিক অবস্থান, বিপুল খনিজ সম্পদ এবং রাশিয়া ও চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড—উভয় পক্ষই দ্বীপটি হস্তান্তরের যেকোনো প্রস্তাব স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করে আসছে এবং গ্রিনল্যান্ডের ওপর ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছে।
এমবি এইচআর

