বৈদ্যুতিক তারের পর এবার মওলানা ভাসানী সেতুর লাইট চুরি
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত মওলানা ভাসানী সেতুতে চুরির ঘটনা যেন থামছেই না।

নিজস্ব প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত মওলানা ভাসানী সেতুতে চুরির ঘটনা যেন থামছেই না। পাঁচ লাখ টাকা মূল্যের ৩১০ মিটার বৈদ্যুতিক তার চুরির পর এবার সেতুর বেশ কিছু রিফ্লেক্টর লাইট চুরি হয়েছে। তবে কতগুলো লাইট চুরি হয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে কেউ বলতে পারেনি।
সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে গাইবান্ধা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল চৌধুরী বলেন, “রিফ্লেক্টর লাইট চুরির বিষয়টি পুলিশকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে।”
এর আগে উদ্বোধনের রাতেই ৯২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ সেতুর বৈদ্যুতিক তার চুরি হয়ে যায়। এতে সন্ধ্যার পর সেতুসহ আশপাশের সড়ক অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে পড়ে। দুর্ঘটনা ও নানা ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে রাতের যাত্রীদের। তার চুরির রেশ কাটতে না কাটতেই লাইট চুরির ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। স্থানীয়রা দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ প্রতিস্থাপন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে বৈদ্যুতিক তার চুরির ঘটনায় সেতুর সিকিউরিটি ইনচার্জ নুর আলম বাদী হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা করলেও এখনো চুরি যাওয়া তার উদ্ধার বা চোর চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
তবে দ্রুততম সময়ে সেতুতে চুরি যাওয়া তার প্রতিস্থাপন করে ল্যাম্পপোস্টগুলো সচল করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল চৌধুরী।
গত বুধবার (২০ আগস্ট) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এ সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। ৯২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১,৪৯০ মিটার দীর্ঘ ও ৯.৬ মিটার প্রস্থের এই সেতুটি এলজিইডির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রকল্প। বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) ও ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ওফিড) এ প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে।
এমবি/টিআই