ছিনতাইয়ের স্বীকার হয়ে ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে নিজেই ধরা খেল ডাকাত
গাজীপুর ও মুক্তাগাছা থানার চারটি ডাকাতি মামলার আসামি সোহেল মিয়া শেষ পর্যন্ত নিজেই পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন।
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধি:
গাজীপুর ও মুক্তাগাছা থানার চারটি ডাকাতি মামলার আসামি সোহেল মিয়া শেষ পর্যন্ত নিজেই পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন। ছিনতাইয়ের শিকার হওয়ার অভিযোগ জানাতে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দেন, কিন্তু পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারে, ফোনদাতাই আসলে পেশাদার ডাকাত।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে ময়মনসিংহের দিগাড়কান্দা বাইপাস এলাকায় একটি গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলা পরিবহনকারী পিকআপে ওঠেন সোহেল মিয়া। তিনি চালক মজিবর রহমানের কাছে সাহায্য চান এবং পরে মুক্তাগাছার পথে গাড়ি থামাতে বলেন। সেই সময় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিজেকে পুলিশ পরিচয়ে সোহেলের কাছ থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়।
ঘটনার পর সোহেল পিকআপচালকের কাছ থেকে চাবি নিয়ে পালিয়ে যান এবং কিছুক্ষণ পর ৯৯৯-এ ফোন করে অভিযোগ করেন যে, চালক তার ২০ হাজার টাকা ছিনতাই করেছে।
খবর পেয়ে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করলে প্রকাশ পায়, সোহেলই পুরো ঘটনাটি সাজিয়েছেন। পরে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন, মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছিলেন।
পুলিশের ওয়েবসাইটে যাচাই করে দেখা যায়, সোহেলের নামে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ও বাসন থানায় দুটি এবং মুক্তাগাছায় আরও দুটি ডাকাতি মামলা রয়েছে।
মুক্তাগাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জুলুস খান বলেন, “সোহেল অভিনব কায়দায় ৯৯৯-এ কল দিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিল। তদন্তে তার পরিচয় উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। তিনি একজন পেশাদার ডাকাত।”
এমবি এইচআর

