ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে ২০ মামলার আসামি নিহত, গুলিবিদ্ধ ৩
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে শিপন মিয়া (৩০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে শিপন মিয়া (৩০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একজন শিক্ষকসহ আরও দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শনিবার (১ নভেম্বর) রাতে উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের গণি শাহ মাজার বাজার এলাকার একটি হোটেলে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিপন মিয়া বড়িকান্দি ইউনিয়নের নুরজাহানপুর গ্রামের মোন্নাফ মিয়া ওরফে মনেক মিয়ার ছেলে। পুলিশ জানায়, নিহত শিপন ও তাঁর বাবার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতিসহ অন্তত ২০টি মামলা রয়েছে।
গুলিবিদ্ধদের মধ্যে রয়েছেন মোহিনী কিশোর স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক এমরান হোসেন (৩৮) এবং হোটেল কর্মচারী ইয়াসিন মিয়া (২০) ও নুর আলম (১৮)। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মনেক মিয়া ও তাঁর ছেলে শিপনের প্রভাব ছিল এলাকায়। একই এলাকার আরাফাত মিয়ার সঙ্গে তাঁদের বিরোধ চলছিল। শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শিপন মিয়া বাজারের একটি হোটেলে অবস্থান করছিলেন। এ সময় আরাফাতের নেতৃত্বে সশস্ত্র দল হঠাৎ হোটেলে ঢুকে গুলি চালায়। এতে শিপনসহ আরও দুইজন গুলিবিদ্ধ হন।
এরপর খবর ছড়িয়ে পড়লে শিপনের বাবা মোন্নাফ মিয়ার নেতৃত্বে একদল লোক প্রতিপক্ষের গ্রামে গিয়ে হামলা চালায়। এতে এমরান হোসেনও গুলিবিদ্ধ হন। সংঘর্ষের পর আতঙ্কে উভয় পক্ষের লোকজন গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়।
নবীনগর থানার ওসি শাহিনুর ইসলাম জানান, নিহত শিপন ডাকাত দলের সদস্য ছিলেন। গুলিবিদ্ধ তিনজনের মধ্যে একজন শিক্ষক আছেন। এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি, তবে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং অভিযান চলছে।
এমবি/টিআই

