সাংবাদিকদের জন্য আচরণবিধি সংশোধন চেয়ে ইসিতে সুপারিশপত্র

নির্বাচন কাভারেজে সাংবাদিকদের কাজের স্বাধীনতায় বেশ কিছু অসংগতি রয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে আচরণবিধির সংশোধন দাবি করেছে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) এবং রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)।

Nov 9, 2025 - 15:01
 0  2
সাংবাদিকদের জন্য আচরণবিধি সংশোধন চেয়ে ইসিতে সুপারিশপত্র
ছবি, সংগৃহিত

মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ
নির্বাচন কাভারেজে সাংবাদিকদের কাজের স্বাধীনতায় বেশ কিছু অসংগতি রয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে আচরণবিধির সংশোধন দাবি করেছে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) এবং রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে লিখিত সুপারিশপত্র জমা দিয়েছে দুই সংগঠন।

রোববার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনের সঙ্গে বৈঠকে সাংবাদিকদের জন্য প্রণীত নির্বাচনী নীতিমালার সংশোধিত প্রস্তাবনা তুলে ধরে সংগঠনগুলো। উপস্থিত ছিলেন ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা।

বিজেসি চেয়ারম্যান রেজওয়ানুল হক রাজা জানান, সময় কাভার করতে গিয়ে সাংবাদিকরা যে প্রতিবন্ধকতায় পড়ছেন—তা দূর করতে একাধিক সেমিনার ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে সুপারিশমালা তৈরি করা হয়েছে। বিশেষভাবে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পর প্রিজাইডিং অফিসারকে অবহিত করার বাধ্যবাধকতা এবং কেন্দ্রের ভেতরে সর্বোচ্চ ১০ মিনিট থাকার সীমা নিয়ে আপত্তি জানান তারা। সংগঠনের ভাষ্য—সাংবাদিকদের আইডি কার্ড থাকলে আলাদা অনুমতির প্রয়োজন নেই।

তিনি বলেন, ইসি জানিয়েছে—১০ মিনিট থাকার বিষয়টি কঠোর সময়সীমা নয়, বরং জায়গার সীমাবদ্ধতার কারণে দেওয়া একটি নির্দেশনা। কমিশনও মনে করে, সাংবাদিকদের ক্যামেরা ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পারে।

বৈঠকে সরাসরি সম্প্রচারের বিষয়েও আলোচনা হয়। বিজেসি জানায়—সাংবাদিকরা দায়িত্বশীল থাকবেন, তবে কোনো অনিয়ম বা কেন্দ্র দখলের ঘটনা ঘটলে সংবাদমাধ্যমকে দায়িত্ব পালন করতে দিতে হবে।

আরএফইডি সভাপতি কাজী জেবেল সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় স্পষ্ট শাস্তির বিধান নীতিমালায় যুক্ত করার দাবি জানান। তার ভাষ্য—রাজনৈতিক দলগুলোর আচরণবিধির মতোই সাংবাদিকদের বাধা বা হামলার ক্ষেত্রে দোষীদের কী শাস্তি হবে তা উল্লেখ করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, নীতিমালা যেন শুধু জাতীয় নির্বাচন নয়, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও প্রযোজ্য হয়—এ দাবি জানানো হয়েছে। সাংবাদিক সমাজ আশা করছে, ইসি দ্রুত সংশোধনী এনে নীতিমালা আরও স্বচ্ছ ও গণমাধ্যম-বান্ধব করবে।

এমবি এইচআর