চুয়াডাঙ্গায় দলীয় প্রতীক টাঙানোকে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ১১
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীক টাঙানোকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাতে সংঘর্ষে দুই পক্ষের মোট ১১ জন আহত হন। এসময় দুটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়েছে। আহতদের আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ছিলেন আলমডাঙ্গা পৌর যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম কনক, সদস্য সাজাহান ও আলিম, কুমারী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তাইজেল হোসেন, ১ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা ইউপি সদস্য রোকসানা খাতুন এবং তাঁর স্বামী রাশিদুল ইসলাম। আহত জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে ছিলেন শ্যামপুর গ্রামের হারুন রশীদের ছেলে মুরাদ আলি, মাহাতাবের ছেলে আরিফ, পলাশের ছেলে লাল্টু, সাদেক আলির ছেলে ওল্টু এবং তার মেয়ে ফাতেমা খাতুন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে জামায়াত সমর্থকরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীক টাঙানোর সময় বিএনপি কর্মী রাশিদুল ইসলামের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায় উভয়পক্ষের মধ্যে মারামারি ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে যুবদলের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেলযোগে ঘটনাস্থলে গিয়ে জামায়াত সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয়পক্ষের ১১ জন গুরুতর আহত হন।
আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রোকন জানিয়েছেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। এতে ৬ জন আহত হয়েছেন এবং তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি বলেন, আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
অন্যদিকে আলমডাঙ্গা উপজেলা জামায়াতের আমীর শফিউল আলম বকুল দাবি করেন, দলীয় প্রতীক টাঙাতে গেলে বিএনপির মহিলা ইউপি সদস্য ও তার স্বামী বাধা দেন। পরবর্তীতে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের এক কর্মীর বাড়িতে হামলা চালায়, এতে জামায়াতের ৫ জন আহত হন।
আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়েছে।
এমবি/এসআর

