পাকিস্তানিদের নয়, রাজাকারদের গুলিতে শহীদ হয়েছিলেন বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে পাকিস্তানি সেনাদের হাতে নয়, বরং স্থানীয় দোসর ও রাজাকারদের হাতে নির্মমভাবে হত্যার শিকার হতে হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে পাকিস্তানি সেনাদের হাতে নয়, বরং স্থানীয় দোসর ও রাজাকারদের হাতে নির্মমভাবে হত্যার শিকার হতে হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।
তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের এই বীর সেনানীকে পাকিস্তানি সৈন্যরা নয়, বরং এ দেশের গাদ্দার রাজাকাররাই হত্যা করেছিল। আরাফাত উল্লেখ করেন, আর্টিফিসার রুহুল আমিন যুদ্ধরত অবস্থায় জাহাজ থেকে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে তীরে ওঠার পরই রাজাকাররা পেছন থেকে নির্বিচারে গুলি চালায়। তাদের গুলিতে গুরুতর আহত হয়ে অমানবিক নির্যাতনের পর তিনি শহীদ হন।
তিনি জানান, তৎকালীন গ্রামবাসীরা বীর এই যোদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করে ভৈরব নদীর তীরে দাফন করেন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ঐতিহাসিক সমাধি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
রুহুল আমিনের বীরত্বগাথা স্মরণ করে আরাফাত বলেন, দেশের স্বাধীনতার জন্য তাঁর অতুলনীয় সাহস, দক্ষতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ সম্মানসূচক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রদান করে। তাঁর এই ত্যাগ ও আদর্শ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে চিরকাল গৌরবোজ্জ্বল করে রাখবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশরক্ষায় অনুপ্রাণিত করবে।
এমবি এইচআর

