পেঁয়াজ-রসুন-আদার বাজারে অস্থিরতা

লালমনিরহাটের কাঁচাবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

Aug 30, 2025 - 15:37
 0  3
পেঁয়াজ-রসুন-আদার বাজারে অস্থিরতা

নিজস্ব প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের কাঁচাবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে এ তিনটি পণ্যের দাম ক্রমেই বাড়ছে, যা ভোক্তাদের জন্য এক বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে শিয়ালখোওয়া কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি ও ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। দেশি রসুন কিছুটা স্বস্তিদায়ক হলেও (৯০–১২০ টাকা) বিদেশি রসুনের দাম দ্বিগুণের কাছাকাছি (১৪০–১৬০ টাকা)। অন্যদিকে দেশি আদা বিক্রি হচ্ছে ১৫০–১৭০ টাকায়। তবে আলুর দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল। দেশি আলু মিলছে ২০-২৫ টাকায়।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশি পেঁয়াজের উৎপাদন যথেষ্ট হলেও কৃষকের উৎপাদন খরচ বাড়ায় পাইকারি পর্যায়েই দাম বেশি থাকে। অন্যদিকে ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি নিয়মিত না হওয়ায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। ফলে দামের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে।

পেঁয়াজ বিক্রেতা শরিফুল ইসলাম বলেন, দেশি পেঁয়াজ প্রচুর আছে, কিন্তু কৃষকরা বেশি দামে ছাড়ছেন। ভারতীয় পেঁয়াজও সব সময় ঠিকভাবে আসে না, তাই বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

রসুন–আদার ব্যবসায়ী কালাম মিয়া জানান, রসুন ও আদা মূলত আমদানিনির্ভর। আমদানি ব্যাহত হলেই বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। আমরা নিজেরা দাম বাড়াই না, পাইকারি বাজারের ওপর নির্ভর করতে হয়।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে প্রতিদিন ওঠানামায় বিপাকে পড়েছেন ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, বাজারে কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ নেই। গৃহিণী শাহনাজ পারভীন বলেন, রান্নায় পেঁয়াজ–রসুন ছাড়া উপায় নেই। বাধ্য হয়ে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। মাস শেষে খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

আরেক ক্রেতা মমিনুল হক বলেন, এক মাসের বেশি সময় ধরে বাজার অস্থির। সরকারের উচিত দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া।

এমবি/টিআই