ফরিদপুর জেলা যুবদলের সভাপতি-সম্পাদককে শোকজ
ফরিদপুর জেলা যুবদলের সভাপতি মো. রাজিব হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে শৃঙ্খলা বিনষ্ট ও সংগঠনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে শৈথিল্য প্রদর্শনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুর জেলা যুবদলের সভাপতি মো. রাজিব হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে শৃঙ্খলা বিনষ্ট ও সংগঠনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে শৈথিল্য প্রদর্শনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
গত সোমবার (২০ অক্টোবর) রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত চিঠিতে তাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। নোটিশে বলা হয়েছে, কেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নকে স্বশরীরে ব্যাখ্যা দিতে হবে।
সূত্রে জানা গেছে, রবিবার বিকেলে ফরিদপুর সদর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের পমানন্দপুর বাজার এলাকায় গণসংযোগের উদ্দেশ্যে গাড়িবহর নিয়ে যান ফরিদপুর ৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সদস্য শিল্পপতি এ কে আজাদ।
একই স্থানে উপস্থিত হন কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী নায়াব ইউসুফের সমর্থকরা, বিএনপি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী। এ সময় কোতোয়ালি যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. নান্নু মোল্লার নেতৃত্বে মোটরসাইকেল মিছিল ঘটে এবং তারা এ কে আজাদকে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ আখ্যা দিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। একপর্যায়ে এ কে আজাদের বহরে থাকা দুইটি গাড়িতে আঘাত করা হয়।
ঘটনার একদিন পর জেলা যুবদলের শীর্ষ দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
এমবি/টিআই

