মান্নার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই: রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না ঋণখেলাপি হিসেবেই বহাল থাকছেন। ফলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা ম্যানুয়েল–১২ এর দফা (১) ও উপদফা (ঠ) অনুযায়ী মনোনয়ন দাখিলের আগের দিন পর্যন্ত ঋণখেলাপি হিসেবে বহাল থাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার অংশগ্রহণের আর কোনো সুযোগ নেই।

Dec 28, 2025 - 17:28
 0  3
মান্নার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই: রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী
ছবি, সংগৃহীত

মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না ঋণখেলাপি হিসেবেই বহাল থাকছেন। ফলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা ম্যানুয়েল–১২ এর দফা (১) ও উপদফা (ঠ) অনুযায়ী মনোনয়ন দাখিলের আগের দিন পর্যন্ত ঋণখেলাপি হিসেবে বহাল থাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার অংশগ্রহণের আর কোনো সুযোগ নেই।

জানা গেছে, রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ আদালতে বিচারপতি রেজাউল হকের চেম্বারে মাহমুদুর রহমান মান্নার আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য আগামীকাল ২৯ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন। ফলে মনোনয়ন দাখিলের আগের দিন ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি ঋণখেলাপি হিসেবে বহাল থাকায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার অংশগ্রহণের আইনগত পথ বন্ধ হয়ে যায়।

এর আগে ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার এবং সিআইবি (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো) প্রতিবেদন স্থগিত চেয়ে মাহমুদুর রহমান মান্না হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট সেই রিট খারিজ করে দেন। পরে তিনি ওই আদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার জজ আদালতে আপিল আবেদন করেন।

রোববারের শুনানিতে মান্নার পক্ষে অংশ নেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, ব্যারিস্টার আহসানুল করিম ও অ্যাডভোকেট মামুন মাহবুব। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল জহিরুল হক সুমন এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. উজ্জ্বল হোসাইন।

শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. উজ্জ্বল হোসাইন সাংবাদিকদের জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা ম্যানুয়েল–১২ এর দফা (১) এবং উপদফা (ঠ) অনুযায়ী মাহমুদুর রহমান মান্না ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্য নন। মনোনয়ন দাখিলের আগের দিন অনুষ্ঠিত শুনানিতে আপিল বিভাগ কোনো আদেশ না দিয়ে পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করায় তিনি ঋণখেলাপি হিসেবেই বহাল থাকলেন। ফলে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আর কোনো আইনগত সুযোগ নেই।

এদিকে, গত ২১ ডিসেম্বর ঋণ পুনঃতফসিলের আবেদনের ক্ষেত্রে নথিপত্র জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়ায় ইসলামী ব্যাংক আগের দেওয়া স্যাংশন লেটার বাতিল করে দেয়। এতে মাহমুদুর রহমান মান্নার ঋণসংক্রান্ত জটিলতা আরও ঘনীভূত হয়েছে।

এমবি এইচআর