নিউইয়র্কে বন্দুকধারীর গুলিতে বাংলাদেশি পুলিশসহ নিহত ৫
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটানে বন্দুকধারীর গুলিতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন পুলিশ কর্মকর্তা এবং সন্দেহভাজন বন্দুকধারীও রয়েছেন। খবর স্কাই নিউজের।

নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটানে বন্দুকধারীর গুলিতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন পুলিশ কর্মকর্তা এবং সন্দেহভাজন বন্দুকধারীও রয়েছেন। খবর স্কাই নিউজের।
বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ বিভাগের তথ্যানুযায়ী তিনি বাংলাদেশি নাগরিক। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ বিষয়টি জানান।নিহত অফিসার হলেন দিদারুল ইসলাম। ৩৬ বছর বয়সী এ যুবক বাংলাদেশ থেকে আসা একজন অভিবাসী। তিনি নিউইয়র্ক সিটিতে সাড়ে তিন বছর ধরে পুলিশ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যায় এ হামলা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, সিসি ক্যামেরার ফুটেজের মাধ্যমে তারা সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে শনাক্ত করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, হামলার পর গ্রেপ্তার নিশ্চিত জেনে তিনি ‘আত্মঘাতী’ হয়েছেন।
স্কাই নিউজের মার্কিন অংশীদার নেটওয়ার্ক এনবিসি নিউজকে চার জ্যেষ্ঠ আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে লাস ভেগাসের ২৭ বছর বয়সী শেন ডেভন তামুরা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তার উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয়।
নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ (এনওয়াইপি) নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। নিহত পুলিশ কর্মকর্তা কর্তব্যরত অবস্থায় ছিলেন বলে জানা গেছে।
ম্যানহাটনের মিডটাউনের একটি আকাশচুম্বী ভবন ৩৪৫ পার্ক অ্যাভিনিউতে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। সেখানে বিনিয়োগ সংস্থা ব্ল্যাকস্টোন এবং ন্যাশনাল ফুটবল লীগ (এনএফএল) উভয়ের সদর দপ্তর অবস্থিত।
এখানে কেপিএমজির অফিস, আয়ারল্যান্ডের কনস্যুলেট জেনারেল এবং একটি ব্যাংক অফ আমেরিকা শাখাও রয়েছে।
নিউইয়র্ক পোস্ট সংবাদপত্রকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, বন্দুকধারী যখন আকাশচুম্বী ভবনে গুলি চালায় তখন তার হাতে একটি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ছিল এবং তার হাতে একটি অ্যাসল্ট রাইফেল ছিল। এ ঘটনার পেছনে বড় উদ্দেশ্য থাকতে পারে।
এমবি/এসআর