বাংলাদেশের পরিচালকরা আমাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করেননি : জয়া আহসান

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান জানিয়েছেন, বাংলাদেশের পরিচালকরা তাঁকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারেননি। দীর্ঘদিন নিবেদিতভাবে কাজ করার পরও প্রাপ্য মূল্যায়ন না পাওয়ায় কলকাতায় পাড়ি জমান তিনি।

Oct 20, 2025 - 16:29
 0  2
বাংলাদেশের পরিচালকরা আমাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করেননি : জয়া আহসান
ছবি, সংগৃহিত

মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ
দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান জানিয়েছেন, বাংলাদেশের পরিচালকরা তাঁকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারেননি। দীর্ঘদিন নিবেদিতভাবে কাজ করার পরও প্রাপ্য মূল্যায়ন না পাওয়ায় কলকাতায় পাড়ি জমান তিনি।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে জয়া বলেন, “যে পরিচালকদের জন্য আমি সব সময় প্রস্তুত ছিলাম, তারা আমাকে ঠিকভাবে ব্যবহার করেননি বা করতে পারেননি। বাংলাদেশে একটা সমস্যা আছে—পরিচালকের বান্ধবী বা স্ত্রী ছাড়া অন্য কাউকে সুযোগ দেন না অনেকে। এটা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই নিবেদিত থেকেও আমি কর্নারড হয়েছি, যা কলকাতায় হয়নি।”

তিনি আরও বলেন, “কলকাতায় বাইরের শিল্পী হয়েও আমি মূল্যায়ন পেয়েছি। আমাকে ভালো চরিত্র দিয়েছে, আমার ওপর ভিত্তি করে গল্প বানিয়েছে। সেখানে আমি বুঝেছি, একজন শিল্পী হিসেবে আমার জায়গা আছে।”

জয়ার মতে, এখনো বাংলাদেশের অনেক পরিচালক নারীকে কেন্দ্র করে কাজ করতে ভয় পান। “কেউ বান্ধবীকে নেন, কেউ স্ত্রীকে; আবার কেউ মেগাস্টারদের নিয়ে কাজ করেন। অথচ একজন পিওর আর্টিস্টের ওপর ভরসা করতে চান না,”—বলেন তিনি।

তবে জয়া উল্লেখ করেন, দেশের সব পরিচালক যে এমন নন, তা নয়। অনেক ডায়নামিক নির্মাতা আছেন, যারা তাঁর মতো অভিনেতাদের নিয়ে ভালো কাজ করতে পারতেন, কিন্তু সুযোগ তৈরি হয়নি।

কলকাতায় যাওয়া প্রসঙ্গে জয়া বলেন, “আমি শিল্পী, অভিনয় ছাড়া কিছু জানি না। যখন দেশে কাজ পাচ্ছিলাম না, তখন শিল্পের প্রতি ভালোবাসা থেকেই কলকাতায় যাই।”

উল্লেখ্য, জয়া আহসান বলিউডের প্রযোজক করণ জোহরের ‘ধর্মা প্রোডাকশন’ থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি’ সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পেলেও শেষ পর্যন্ত তা ছাড়তে হয় তাঁকে।

সর্বশেষ তাঁকে দেখা গেছে বাংলাদেশ ও ইরানের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘ফেরেশতে’ সিনেমায়, যেখানে তাঁর সঙ্গে অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, শাহেদ আলী, রিকিতা নন্দিনী শিমু ও সুমন ফারুক। ছবিটি পরিচালনা করেছেন ইরানি নির্মাতা মুর্তজা অতাশ।

এমবি এইচআর