আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিতে হাজির হাসনাত আব্দুল্লাহ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাক্ষ্য দিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

Dec 9, 2025 - 11:44
 0  3
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিতে হাজির হাসনাত আব্দুল্লাহ
ছবি, সংগৃহীত

মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাক্ষ্য দিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল সোয়া ১০টায় তিনি ট্রাইব্যুনালে পৌঁছান। মামলায় ২১ নম্বর সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হওয়ার পর গত ২৭ নভেম্বর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ হিসেবে আজকের দিন নির্ধারণ করে।

গত ৬ আগস্ট আদালত ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেয়। এর মধ্যে ছয়জন গ্রেপ্তার থাকলেও বেরোবির সাবেক ভিসিসহ ২৬ জন এখনো পলাতক। পলাতক আসামিদের পক্ষে গত ২২ জুলাই সরকারি খরচে চারজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন—এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ। তাদের উপস্থিতিতেই আজ প্রসিকিউশন সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন শুরু করবে।

পলাতক আসামিদের পক্ষে গত ৩০ জুলাই শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা। পাঁচজনের হয়ে লড়েন আইনজীবী সুজাত মিয়া এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মামুনুর রশীদ। আরও অংশ নেন আইনজীবী ইশরাত জাহান ও শহিদুল ইসলাম। প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, মিজানুল ইসলাম, মঈনুল করিম ও আবদুস সাত্তার পালোয়ান।

এর আগে ২৯ জুলাই তিন গ্রেপ্তার আসামির পক্ষে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শরিফুলের হয়ে লড়েন আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো, কনস্টেবল সুজনের পক্ষে আজিজুর রহমান দুলু এবং ইমরানের পক্ষে সালাহউদ্দিন রিগ্যান। শুনানিতে তিনজনেরই অব্যাহতি চাওয়া হয়।

গত ২৮ জুলাই প্রসিকিউশন ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি শেষ করে। সেদিন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম মামলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও বিস্তারিত আদালতে তুলে ধরেন। এর আগে ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা তাদের প্রতিবেদন জমা দেয় এবং আদালত ৩০ জুন অভিযোগ আমলে নেয়।

এমবি এইচআর