দ্বিদলীয় স্বার্থে ইসি নিরপেক্ষতা হারিয়েছে: সামান্তা শারমিন
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সামান্তা শারমিন বলেছেন, দ্বিদলীয় প্রভাব ও পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে নির্বাচন কমিশন (ইসি) তার সব নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, শাপলা প্রতীক নিয়ে ইসির অবস্থান পক্ষপাতদুষ্ট ও অন্যায্য।
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সামান্তা শারমিন বলেছেন, দ্বিদলীয় প্রভাব ও পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে নির্বাচন কমিশন (ইসি) তার সব নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, শাপলা প্রতীক নিয়ে ইসির অবস্থান পক্ষপাতদুষ্ট ও অন্যায্য।
রোববার রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সামান্তা শারমিন বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের বক্তব্যে প্রমাণিত হয়েছে, কমিশন এখন আর কোনোভাবে জাতীয় ঐকমত্য বা ন্যায্যতার পথে নেই। তার ভাষায়, “সিইসি দাবি করেছেন কনসেনশাস ছাড়া সিদ্ধান্ত নেন না, অথচ বাস্তবে কন্সেনশান কমিশন চলাকালীনই জাতীয় ঐকমত্যকে পাশ কাটিয়ে একপক্ষীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
তিনি বলেন, নাগরিক ঐক্য দল হিসেবে শাপলা প্রতীক পাওয়ার মতো রাজনৈতিক যোগ্যতা বা সংগঠনগত প্রস্তুতি দেখাতে পারেনি। ১৫ দিন আগের বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে এনে শাপলা প্রতীকের দাবি তোলা আসলে নিজেদের দুর্বলতা ঢাকার প্রচেষ্টা।
সামান্তা শারমিন আরও বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন শুধু লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে ব্যর্থ নয়, বরং ন্যূনতম সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতাও হারিয়েছে। তার দাবি, “দ্বিদলীয় ভাগাভাগির মাধ্যমে ইসি এখন একদলীয় স্বার্থের বাহক হয়ে উঠেছে।”
এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, শাপলা প্রতীক বরাদ্দে আইনি জটিলতা রয়েছে। তিনি জানান, নাগরিক ঐক্য দলটি প্রথম আবেদন করায় নিয়ম অনুযায়ী তারাই প্রতীকটি পেতে পারে। তবে এনসিপির পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে, ইসি ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য দলকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
এমবি এইচআর

