বিসিবি নির্বাচন: ৩ প্রস্তাব প্রতিবাদী কাউন্সিলরদের, না মানলে কঠোর হুঁশিয়ারি
আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পরিষদের নির্বাচন। কিন্তু সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, নির্বাচন ঘিরে ততই জোরালো হচ্ছে নাটকীয়তা। তামিম ইকবালসহ মোট ১৮ জন প্রার্থী এখন পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পরিষদের নির্বাচন। কিন্তু সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, নির্বাচন ঘিরে ততই জোরালো হচ্ছে নাটকীয়তা। তামিম ইকবালসহ মোট ১৮ জন প্রার্থী এখন পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
এরই মাঝে বিসিবি নির্বাচন নির্বাচন স্থগিত বা পিছিয়ে নেওয়া এবং তফসিল বাতিলসহ ৩ দফা প্রস্তাব নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা বিসিবির কয়েকজন কাউন্সিলর। এসব দাবি না মানলে বিসিবির পরবর্তী ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অংশ না নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
শনিবার (৪ অক্টোবর) বিকেলে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিসিবি নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা ক্রীড়া সংগঠকরা। এ সময় নিজেদের দাবি ও এর যৌক্তিকতা উত্থাপন করেন মোহামেডানের কাউন্সিলর মাসুদুজ্জামান।
এ সময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, 'বিসিবি নির্বাচনের নামে প্রহসন হচ্ছে, যা বিশ্বে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বিতর্কিত করছে। ৬ অক্টোবর প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন আয়োজন করলে ইতিহাস কলঙ্কিত হবে।' চলমান এই সমস্যা সমাধানে তিন দফা দাবি জানান তারা।
সংগঠকদের দাবিগুলো হচ্ছে– বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের মেয়াদ বৃদ্ধি করে পরবর্তীতে অর্থাৎ অদূর ভবিষ্যতে 'সুন্দর নির্বাচন' গ্রহণের ব্যবস্থা করা। আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজন। এবং সবশেষ বর্তমান তফসিল বাতিল করে বর্তমান বা নতুন নির্বাচন কমিশন নতুন তফসিল ঘোষণা করা যে নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা থাকবে।
কেন এসব দাবি তোলা হলো সেই ব্যাখ্যাও দেওয়া হয় এই প্রতিবাদী সংবাদ সম্মেলনে। বিসিবি নির্বাচন ঘিরে সংগঠকদের অভিযোগ– জেলা ও বিভাগীয় কাউন্সিলর তালিকায় সরকারি হস্তক্ষেপ, আবাহনী-মোহামেডানের মতো বড় ক্লাবের কাউন্সিলরদের নির্বাচন বর্জন, বিসিবি সভাপতির ‘একক হস্তক্ষেপে’ কাউন্সিলরদের যোগ্যতার ক্যাটাগরি নির্ধারণ, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর সাবেক বোর্ড সভাপতি ফারুক আহমেদের কাউন্সিলরশিপ গ্রহণ, ১৫ ক্লাবকে কাউন্সিলরশিপ না দেওয়া এবং জেলা-বিভাগীয় কাউন্সিলরদের ‘আটকে রাখা’।
সংবাদ সম্মেলনে আগামীকাল ৫ অক্টোবরের মধ্যে এসব দাবি মেনে নেওয়ার আহবান জানান তারা। অন্যথায় বৃহত্তর অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেওয়ার পাশাপাশি আসন্ন ঘরোয়া ক্রিকেটেও অংশ না নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এমবি এইচআর

