‘সেফ এক্সিট’ আমার জন্য নয়: উপদেষ্টা ফারুক

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম জানিয়েছেন, তিনি দেশত্যাগ বা ‘সেফ এক্সিট’-এর কোনো পরিকল্পনায় নেই। বরিশালে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তিনি এই দেশেই থেকে দায়িত্ব পালন করবেন।

Oct 12, 2025 - 16:28
 0  2
‘সেফ এক্সিট’ আমার জন্য নয়: উপদেষ্টা ফারুক
ছবি-সংগৃহিত

মেঘনাবার্তা প্রতিনিধি: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম জানিয়েছেন, তিনি দেশত্যাগ বা ‘সেফ এক্সিট’-এর কোনো পরিকল্পনায় নেই। বরিশালে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তিনি এই দেশেই থেকে দায়িত্ব পালন করবেন।

রোববার (১২ অক্টোবর) সকালে বরিশাল সরকারি বালিকা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে টাইফয়েড টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা ফারুক ই আজম। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো বরিশালেও একই দিনে এ টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন হয়।

সরকারের এক মাসব্যাপী এই কর্মসূচির আওতায় ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রায় পাঁচ কোটি শিশু-কিশোরকে বিনামূল্যে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। জন্মসনদ না থাকা শিশুরাও এ কার্যক্রমের আওতায় টিকা নিতে পারবে।

বরিশাল বিভাগে মোট ২৬ লাখ ১৪ হাজার শিশুকে এই টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ৪ থেকে ৭ বছর বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়া হবে, যা তাদের শরীরে টাইফয়েড প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করবে।

এই টিকাদান কর্মসূচি ১২ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চলবে। এরপর ১ নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। শহরের পথশিশুদের টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করবে বিভিন্ন এনজিও সংস্থা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট এই টিকা তৈরি করেছে, যা গ্যাভির সহায়তায় বাংলাদেশ সরকার পেয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত এই টিকা ইতোমধ্যে নেপাল, পাকিস্তানসহ আটটি দেশে সফলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং কোনো বড় ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

সরকারের লক্ষ্য—এই কর্মসূচির মাধ্যমে মোট ৪ কোটি ৯০ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা। এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৬৮ লাখ শিশুর নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে এবং নিবন্ধন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। জন্মসনদ না থাকলেও স্থানীয় টিকাকেন্দ্রে স্বাস্থ্যকর্মীদের সহায়তায় নিবন্ধন করে টিকা নেওয়া যাবে।

এমবি এইচআর