মেট্রোরেল বন্ধ ছিল, বাসেও উঠা যাচ্ছিল না: আগারগাঁওয়ে দুর্ভোগের যাত্রা
রাজধানীর আগারগাঁও থেকে মতিঝিলমুখী হাজারো মানুষ আজ সোমবার সকালে পড়েন চরম দুর্ভোগে। মেট্রোরেল বন্ধ থাকায় বাসে উঠার সুযোগও ছিল না, ফলে অনেকে হেঁটে, কেউ ভ্যানে আবার কেউ পিকআপ ভ্যানে চড়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ
রাজধানীর আগারগাঁও থেকে মতিঝিলমুখী হাজারো মানুষ আজ সোমবার সকালে পড়েন চরম দুর্ভোগে। মেট্রোরেল বন্ধ থাকায় বাসে উঠার সুযোগও ছিল না, ফলে অনেকে হেঁটে, কেউ ভ্যানে আবার কেউ পিকআপ ভ্যানে চড়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।
মিরপুরের শেওড়াপাড়া থেকে মেট্রোরেলে আগারগাঁও আসা ব্যাংক কর্মকর্তা আতিকুর রহমান মতিঝিল যাওয়ার জন্য বাসস্টেশনে প্রায় ৪০ মিনিট অপেক্ষা করেও কোনো যানবাহন পাননি। তিনি বলেন, ‘পাবলিক ট্রান্সপোর্ট নেই। অতিরিক্ত ভাড়া দিতেও রাজি ছিলাম, কিন্তু সিএনজিও যেতে চায়নি। অফিসে ঢোকার সময় পেরিয়ে গেছে, আজ হয়তো আর যাওয়া সম্ভব হবে না।’
গতকালের দুর্ঘটনার পর আজ সকাল থেকে শাহবাগ থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ ছিল। সকাল ১১টার পর পুরোপুরি চালু হওয়ার আগে পর্যন্ত যাত্রীরা সীমাহীন দুর্ভোগ পোহান।
এর আগে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ট্রেন চললেও আগারগাঁও থেকে আর এগোয়নি। ফলে যাত্রীদের সেখানেই নামতে হয় এবং শুরু হয় বাসে ওঠার দীর্ঘ লাইন। কিন্তু যাত্রীর তুলনায় বাসের সংখ্যা ছিল খুবই কম।
সাভার থেকে মেট্রোরেলে আগারগাঁও আসা আইনজীবী সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘হাইকোর্টে যাব ভেবেছিলাম। যানজট এড়াতে মেট্রোরেলে উঠেছিলাম, কিন্তু এখন কিছুই পাচ্ছি না। বাস নেই, সিএনজিও নেই।’
এ সময় দেখা যায়, অনেকেই পায়ে হেঁটে ফার্মগেট ও শাহবাগের দিকে যাচ্ছেন। কেউ ভ্যানে, কেউ মালবাহী পিকআপে চড়ে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
আরেক যাত্রী সাহিদা খাতুন বলেন, ‘ফার্মগেট যাব। এক ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি, কিছুই পাচ্ছি না। বাসে জায়গা নেই, অ্যাপে বাইক ডাকলেও পাচ্ছি না।’
অবশেষে সকাল ১১টার পর মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত পূর্ণ রুটে ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু করে, তাতে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে যাত্রীদের মুখে।
এমবি এইচআর

