কার্গো নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির কিছুদিনের মধ্যে শাহজালালে অগ্নিকাণ্ড
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ মাত্র কয়েকদিন আগে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছিল বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। গত আগস্টে যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ট্রান্সপোর্ট (ডিএফটি, ইউকে) পরিচালিত বিমানবন্দর মূল্যায়নে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সামগ্রিক মূল্যায়নে ৯৩ শতাংশ এবং কার্গো নিরাপত্তা ব্যবস্থায় শতভাগ নম্বর অর্জন করেছিল।
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ
মাত্র কয়েকদিন আগে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছিল বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। গত আগস্টে যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ট্রান্সপোর্ট (ডিএফটি, ইউকে) পরিচালিত বিমানবন্দর মূল্যায়নে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সামগ্রিক মূল্যায়নে ৯৩ শতাংশ এবং কার্গো নিরাপত্তা ব্যবস্থায় শতভাগ নম্বর অর্জন করেছিল।
সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও সমানভাবে সাফল্য দেখিয়েছে। সামগ্রিক মূল্যায়নে ৯৪ শতাংশ এবং কার্গো নিরাপত্তা ব্যবস্থায় শতভাগ নম্বর পেয়েছে। ডিএফটির পরিদর্শকরা বেবিচকের প্রস্তুতি ও কার্যক্রমে গভীর সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছিলেন।
কিন্তু এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির কয়েকদিনের মাথায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৩৬টি ইউনিট, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী কাজ করছে।
বেবিচকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ডিএফটির এয়ারপোর্ট অ্যাসেসমেন্ট হলো যুক্তরাজ্য সরকারের একটি আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মূল্যায়ন ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে যাত্রী ও কার্গো নিরাপত্তা মানদণ্ড যাচাই করা হয়, বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের অতিরিক্ত নিরাপত্তা চাওয়া মানদণ্ডগুলো ঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে কি না তা পর্যালোচনা করা হয়।
২০১৬ সালে কার্গো স্ক্রিনিং নিয়ে উদ্বেগের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্য ঢাকাগামী কার্গোতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। এরপর বেবিচক ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আধুনিক ডিটেকশন সিস্টেম সংযুক্ত করে কার্গো নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করেছিল।
এমবি এইচআর

