বাংলাদেশের অভিযোগ নাকচ করে ভারতের স্পষ্ট অবস্থান

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উসকানি দিচ্ছেন এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছেন—এমন অভিযোগ তুলে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

Dec 14, 2025 - 18:28
 0  3
বাংলাদেশের অভিযোগ নাকচ করে ভারতের স্পষ্ট অবস্থান
ছবি সংগৃহীত

মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উসকানি দিচ্ছেন এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছেন—এমন অভিযোগ তুলে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা নিয়মিত উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে তার সমর্থকদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়াতে আহ্বান জানাচ্ছেন, যা বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য গুরুতর হুমকি। এ সময় শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে আদালতের দেওয়া দণ্ডের মুখোমুখি করতে দ্রুত দেশে প্রত্যর্পণের আহ্বান জানানো হয়।

এ ছাড়া ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর সংঘটিত হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজনরা যেন পালিয়ে ভারতে আশ্রয় না নিতে পারে—সে বিষয়েও ভারতের সহযোগিতা কামনা করে বাংলাদেশ।

এরই মধ্যে বাংলাদেশের এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে রোববার একটি বিবৃতি দিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ১৪ ডিসেম্বর যে প্রেস নোট প্রকাশ করেছে, তাতে উত্থাপিত দাবিসমূহ ভারত দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রত্যাখ্যান করছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পক্ষে ভারতের অবস্থান তারা ধারাবাহিকভাবে পুনর্ব্যক্ত করে আসছে। বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো কার্যক্রমে ভারতের ভূখণ্ড কখনোই ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনসহ অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে—এমন প্রত্যাশা প্রকাশ করেছে দিল্লি।

এমবি এইচআর