প্রথম আলো–ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৯, শনাক্ত ৩১

প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারসহ দুটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সোমবার সকাল পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।

Dec 22, 2025 - 11:48
 0  3
প্রথম আলো–ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৯, শনাক্ত ৩১
ছবি সংগৃহীত

মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ

প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারসহ দুটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সোমবার সকাল পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে সাতজনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তারা হলেন— মো. কাশেম ফারুক, মো. সাইদুর রহমান, রাকিব হোসেন, মো. নাইম, ফয়সাল আহমেদ প্রান্ত, মো. সোহেল রানা ও মো. শফিকুল ইসলাম। পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের পরিচয় যাচাই-বাছাই চলছে।

এর আগে রবিবার পুলিশ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে জানান, হামলার ঘটনার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ইতোমধ্যে ৩১ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার কাশেম ফারুক বগুড়ার আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া কাসেমুল উলুম মাদরাসার সাবেক ছাত্র এবং বর্তমানে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা। মো. সাইদুর রহমান ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার নোয়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা। রাকিব হোসেনের বাড়ি শেরপুর জেলায়। ভিডিও ফুটেজে তাকে প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে দেখা গেছে। তার ফেসবুক আইডি থেকে ধ্বংসস্তূপের ছবি পোস্ট করা হয়েছিল এবং সেখান থেকে উসকানিমূলক পোস্টও দেওয়া হয়।

ঢাকার তেজগাঁওয়ের কুনিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. নাইমকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে হামলার ঘটনায় লুট হওয়া ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাইম স্বীকার করেছেন, তিনি মোট ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা লুট করেছিলেন। লুটের অর্থ দিয়ে তিনি মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে একটি টিভি ও একটি ফ্রিজ কিনেছিলেন, যা ইতোমধ্যে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ঢাকার কারওয়ান বাজার রেললাইন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার মো. সোহেল রানার বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ঢাকার বিভিন্ন থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে। একই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অতীতে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুটি মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার অন্যদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।

এমবি এইচআর