‘কয়েকটি দল পিআরের নামে নতুন ষড়যন্ত্র করছে’
নেত্রকোনায় ৫১৪ টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা দিতে মন্দিরে মন্দিরে বিএনপির নেতাকর্মীরা পাহারা দিচ্ছেন। কেউ যাতে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বিএনপিও নজর রাখছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক: নেত্রকোনায় ৫১৪ টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা দিতে মন্দিরে মন্দিরে বিএনপির নেতাকর্মীরা পাহারা দিচ্ছেন। কেউ যাতে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বিএনপিও নজর রাখছে। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলা সদরে গড়মা কালিমন্দিরে, গোপালপুর বাজারে কয়েকটি মন্দির পরিদর্শন করে এসব কথা বলেন জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল হক।
তিনি বলেন, মনিটরিং সেল থেকে সার্বক্ষণিক তদারকি করছি। চারটি নাম্বার মনিটরিং সেলের জন্য দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রশাসনের পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তায় কাজ করছি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল একটা বার্তা দিচ্ছে—এখানে সবাই সমান, কেউ সংখ্যালঘু নেই। আমরা তা বিশ্বাস করি না। গণতন্ত্রের জন্য, ভোটাধিকারের জন্য ২০২৪ সালে সংগ্রাম করেছিলাম আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে। এই গণতান্ত্রিক ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা রক্ত দিয়েছি, জীবন দিয়েছি। আপনারা-আমরা সবাই সম্মিলিতভাবে, পুরো জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে সেই সংগ্রামে যুক্ত ছিলাম ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে। এই ফ্যাসিবাদ বিরোধী যে গণতান্ত্রিক ঐক্য সৃষ্টি হয়েছে, আসুন আমরা সেই গণতান্ত্রিক ঐক্যকে সমুন্নত রাখি, আরও শক্তিশালী করি।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল পিআর পদ্ধতির নামে নির্বাচনকে বানচাল করার চেষ্টা করছে। তারা দেশে নতুন নতুন ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করছে। ষড়যন্ত্রটা কী, সেটা হচ্ছে—যেন গণতান্ত্রিক পরিবেশ বাংলাদেশে আর না হয়। বাংলাদেশে যেন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা না হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও পূজা উদযাপন পরিষদের মনিটরিং সেলের আহ্বায়ক এড. নুরুজ্জামান, সদস্য সচিব এসএম শফিকুল কাদের সুজা, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বজলু পাঠান, তাজেজুল ইসলাম ফারাস সুজাত, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আশিক আহমেদ কমল, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদসহ জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ।
এমবি এইচআর

