২ দল যা-ই বলে, সরকার তা-ই করে : মির্জা আব্বাস

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস অভিযোগ করে বলেছেন, “সরকারের কার্যক্রম দেখে স্পষ্ট বোঝা যায়, তাদের নিজস্ব কোনো শক্তি নেই। এই সরকার দুটি দলের ওপর ভর করে টিকে আছে—একটি তাদের নিজস্ব সৃষ্ট দল, আরেকটি পুরনো দল।

Nov 4, 2025 - 21:02
 0  2
২ দল যা-ই বলে, সরকার তা-ই করে : মির্জা আব্বাস
ছবি, সংগৃহিত

মেঘনাবার্তা প্রতিনিধি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস অভিযোগ করে বলেছেন, “সরকারের কার্যক্রম দেখে স্পষ্ট বোঝা যায়, তাদের নিজস্ব কোনো শক্তি নেই। এই সরকার দুটি দলের ওপর ভর করে টিকে আছে—একটি তাদের নিজস্ব সৃষ্ট দল, আরেকটি পুরনো দল। এই দুটি দল যা-ই বলে, সরকার তা-ই করে। সর্বশেষ প্রমাণ হলো, একটা নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে, আমরা প্রমাণ দিয়ে দিলাম।”

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনের আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এক স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন। অখণ্ড ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভার আয়োজন করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আব্বাস বলেন, “যারা জীবনে মাথা তুলে কথা বলতে পারেনি, তারা আজকে মাথা তুলে চোখে চোখ রেখে কথা বলে। এই সাহস, এই শক্তি কোথায় পেল? এরা কারা? এদের জনভিত্তি কোথায়? যদি প্রকৃত নির্বাচন দেওয়া হতো, তাহলে বোঝা যেত কে কয়টা ভোট পায়।”

তিনি আরও বলেন, “আমি আশঙ্কা করছি, এই দলগুলোকে জেতানোর জন্য সরকার যেকোনো অবৈধ প্রক্রিয়ার আশ্রয় নিতে পারে—যেমনটি অতীতে করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার রাতের ভোট দিনে, দিনের ভোট রাতে করেছিল। এই সরকারও হয়তো সেই পথেই হাঁটতে পারে। না হলে যাদের কোনো জনসমর্থন নেই, তারা এত সাহস পায় কীভাবে?”

জামায়াতে ইসলামীর দিকে ইঙ্গিত করে মির্জা আব্বাস বলেন, “যারা কখনো এই বাংলাদেশকেই চায়নি, তারা এখন বাংলাদেশের শাসনভার চায়! ১৯৪৭ সালে যারা পাকিস্তানের বিরোধিতা করেছিল, ১৯৭১ সালে তারা বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছে। তারা ধর্মের দোহাই দিয়ে জাতিকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছে। একটি শ্রেণি এই বিভক্তি থেকে ফায়দা লুটতে চায়, তারা আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শক্তিকে পুনর্বাসিত করতে চায়। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ ও বিএনপি কখনোই সেটা হতে দেবে না।”

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, প্রয়াত খোকার সন্তান ইশরাক হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন, যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন মাহমুদসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এমবি এইচআর