‘পানি এখানেই থামবে না আরও দূর যাবে’ ‘১৪ মাসে বিশ্বমিডিয়ার কেন্দ্রে হাসিনা’: রনি
সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, শেখ হাসিনার বিচারকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলের যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে, তা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে—এ প্রক্রিয়া এখানেই থামছে না, বরং আরও বহুদূর পর্যন্ত গড়াবে।
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ
সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, শেখ হাসিনার বিচারকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলের যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে, তা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে—এ প্রক্রিয়া এখানেই থামছে না, বরং আরও বহুদূর পর্যন্ত গড়াবে। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অস্বাভাবিকভাবে আলোচিত হয়ে উঠেছে।
রনির বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে ‘রয়্যাল গেস্ট’ হিসেবে অবস্থান করছেন এবং সেখানে তাকে বিশেষ নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। দিল্লি থেকেই তিনি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নিয়মিত বক্তব্য দিচ্ছেন এবং দলীয় নেতাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ অবাধ রয়েছে। এমনকি তার জন্য আলাদা একটি সচিবালয়ও গঠন করা হয়েছে, যেখানে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা কাজ করছেন।
তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে বহু গুরুত্বপূর্ণ বিচার হয়েছে, কিন্তু শেখ হাসিনার মামলার মতো আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত কোনো বিচার আগে দেখা যায়নি। যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার দীর্ঘ ও উন্মুক্ত প্রক্রিয়ার কারণে বিশ্বজুড়ে আলোচিত হয়েছিল, তবে শেখ হাসিনার বিচার আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও গভীর গুরুত্ব পাচ্ছে।
গোলাম মাওला রনি আরও বলেন, গত ১৫ দিনে শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে যেভাবে আলোচনায় এসেছেন, তা সাম্প্রতিক সময়ে কোনো রাজনৈতিক নেতাকে নিয়েই দেখা যায়নি। তার মতে, শুধু অর্থ দিয়ে এমন প্রচার পাওয়া সম্ভব নয়। বিএনপি বা জামায়াত অতীতে বৈশ্বিক মিডিয়ার মনোযোগ আকর্ষণে ব্যর্থ হলেও ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার মাত্র ১৪ মাসের মধ্যে শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় আন্তর্জাতিক অঙ্গনের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন।
তিনি আল জাজিরা ও বিবিসির দৃষ্টান্ত তুলে বলেন, অতীতে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এসব গণমাধ্যম এখন তার সাক্ষাৎকার প্রচার করছে। রনির ভাষ্য, এটি প্রমাণ করে শেখ হাসিনা তার রাজনৈতিক দক্ষতা, কৌশল ও টিমের সক্ষমতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে প্রভাবিত করতে পেরেছেন—অথবা বিশ্ব সম্প্রদায় কোনো কারণে বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনাকে পরস্পরের জন্য এখন ‘অপরিহার্য’ মনে করছে।
এমবি এইচআর

