গোপন বৈঠক হলে ‘দিল্লি না ঢাকা’ স্লোগানের অর্থ থাকে না: তারেক রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ভারতের এক কূটনীতিকের বৈঠক নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান।

Jan 1, 2026 - 11:24
 0  3
গোপন বৈঠক হলে ‘দিল্লি না ঢাকা’ স্লোগানের অর্থ থাকে না: তারেক রহমান
ছবি সংগৃহীত

মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ভারতের এক কূটনীতিকের বৈঠক নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, গোপন বৈঠক করে যদি বিদেশি শক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়, তাহলে ‘দিল্লি না ঢাকা’ স্লোগানের কোনো নৈতিক ভিত্তি থাকে না।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বক্তব্যে মো. তারেক রহমান বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতারা দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে বক্তব্যের অপেক্ষায় ছিলেন, আর এখন বিষয়টি প্রকাশ্যে আসায় তা নিয়ে প্রশ্ন তোলাই স্বাভাবিক। তিনি দাবি করেন, ভারতের সঙ্গে গোপন বৈঠক গোপন রাখার চেষ্টা থেকেই বিষয়টি আরও সন্দেহজনক হয়ে উঠেছে।

তারেক রহমান বলেন, ‘দিল্লি না ঢাকা’ স্লোগানটি মূলত তাদের রাজনৈতিক অবস্থান থেকেই এসেছে। অথচ যারা এই স্লোগান ব্যবহার করে, তারাই যদি গোপনে ভারতের সঙ্গে বৈঠক করে, তাহলে সেই স্লোগানের গ্রহণযোগ্যতা থাকে না।

তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর উচিত স্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া—ভারতে থাকা জামায়াতে ইসলামীর কোনো শাখার সঙ্গে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীর কোনো সাংগঠনিক বা রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। একইভাবে পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গেও কোনো সম্পর্ক নেই—এমন ঘোষণাও জনগণ প্রত্যাশা করে।

তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্র তার প্রয়োজনে বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ রাখতে পারে। কিন্তু রাষ্ট্রের বাইরে থাকা তুলনামূলক দুর্বল রাজনৈতিক শক্তি যদি ক্ষমতায় যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে বিদেশি শক্তির সঙ্গে গোপন যোগাযোগ করে, তাহলে তা রাষ্ট্রীয় স্বার্থের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

তিনি আরও দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামীর আমিরের আগের এক সংবাদ সম্মেলনেও ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, যা ভারতের পরামর্শেই হয়েছিল বলে তিনি মনে করেন। তারেক রহমান বলেন, বিদেশি শক্তির সহযোগিতা রাষ্ট্র চাইতে পারে, কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রের বাইরে থেকে এমন সহযোগিতা চাইলে তা সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন তোলে।

এমবি এইচআর