দেড় মাসের সন্তান নিয়ে কারাগারে যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী

রাজধানীর তেজগাঁও থানার বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। তার সঙ্গে রয়েছে দেড় মাস বয়সী পুত্রসন্তান কাইফা ইসলাম সিমরান।

Apr 21, 2026 - 17:01
 0  3
দেড় মাসের সন্তান নিয়ে কারাগারে যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী
ছবি, সংগৃহীত

মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ

রাজধানীর তেজগাঁও থানার বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। তার সঙ্গে রয়েছে দেড় মাস বয়সী পুত্রসন্তান কাইফা ইসলাম সিমরান।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ঢাকা মহানগরের অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের আদালত শুনানি শেষে তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিন দুপুরে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক শেখ নজরুল ইসলাম তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মামলার ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেলহাজতে রাখা প্রয়োজন।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন করতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যায় তেজগাঁওয়ের রেলওয়ে কলোনি এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি আদালতে জামিনের আবেদন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, শিল্পী বেগমের দেড় মাস বয়সী সন্তান রয়েছে এবং সম্প্রতি তার সিজারিয়ান অপারেশন হয়েছে। যেকোনো শর্তে জামিন দেওয়ার আবেদন জানানো হলেও আদালত তা নামঞ্জুর করেন।

শুনানি শেষে বিকেলে আদালত প্রাঙ্গণে আবেগঘন দৃশ্যের অবতারণা হয়। আদালত ভবনের বারান্দায় বসে শিশুকে কোলে নিয়ে দুধ খাওয়াতে দেখা যায় শিল্পী বেগমকে। পরে শিশুসহ তাকে হাজতখানায় নেওয়া হয়। এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং রাজনৈতিক কারণে এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর এক শিক্ষার্থীর ওপর হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও বিস্ফোরণের ঘটনায় ২০২৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় শিল্পী বেগমসহ একাধিক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

এমবি এইচআর