‘নির্বাচন করতে চাইলে পিঠে ছালা বেঁধে মাঠে নামুন’ — রাশেদ খানের বার্তা
গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোনো নেতা যদি স্বাধীনভাবে বা স্বতন্ত্র প্রার্থীরূপে নির্বাচনে নামতে চান, তবে তাদের সাহসিকতার সঙ্গে মাঠে নামার পরামর্শ দিয়েছেন — সামান্য সুরক্ষা বা কাঠামো নিয়ে (‘পিঠে ছালা বেঁধে’) নামতে হবে।
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ
গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোনো নেতা যদি স্বাধীনভাবে বা স্বতন্ত্র প্রার্থীরূপে নির্বাচনে নামতে চান, তবে তাদের সাহসিকতার সঙ্গে মাঠে নামার পরামর্শ দিয়েছেন — সামান্য সুরক্ষা বা কাঠামো নিয়ে (‘পিঠে ছালা বেঁধে’) নামতে হবে। তিনি শুক্রবার রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে এই বার্তাটি দিয়েছেন।
রাশেদ খান উল্লেখ করেছেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে সরকারি অনুমতি না থাকলে ক্ষমতাসীন দল হিসেবে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। তবুও কিছু নেতা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং অর্থায়ন করছে। তিনি এগুলোকে বিচ্ছিন্ন, দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা বলে আখ্যায়িত করেছেন এবং সতর্ক করেছেন—হিংসাত্মক বা অরাজক কর্মসূচি করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করলে জনগণ ও জনবহুল সংগঠনগুলি তা প্রতিহত করবে।
তার জরুরি বার্তাটি মূলত তিনটি দিকের ওপর জোর দেয়—
-
কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ অবস্থায় কেউ স্বতন্ত্রভাবে নামলে সেটি জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না;
-
বিদেশি প্রভাব বা আর্থিক উত্সকে ঘিরে সন্দেহ থাকলে তাতে দেশের অস্থিতিশীলতা বাড়বে;
-
স্বতন্ত্র প্রার্থী বা তাদের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে গণসচেতনতা ও কঠোর প্রতিরোধ থাকবে।
রাশেদ খান আরও তোলা একটি মন্তব্যে বলেন, যারা ‘ভারতের দালাল ফ্যাসিবাদের’ পৃষ্ঠপোষকতা করবেন বা দেশবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত থাকবেন, তাদের বিরুদ্ধে জনগণ সরাসরি প্রতিক্রিয়া দেখাবে। তিনি দাবি করেন, প্রয়োজনে শক্তিশালীভাবে লড়াই করা হবে যাতে কোনো বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ শক্তি দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া বিভ্রান্ত করতে না পারে।
ঘটনাস্থল ও প্রতিক্রিয়া: রাশেদ খানের এই পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়েছে এবং রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে তা নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে — কিছু পক্ষ তাকে সমর্থন করেছে, আবার কিছু বিরোধী গোষ্ঠী বক্তব্যটি সমালোচনা করেছে।
এমবি এইচআর

