বাংলাদেশ-পাকিস্তান ঘনিষ্ঠতা নিয়ে দিল্লির অস্বস্তি: গোলাম মাওলা রনি
পাকিস্তানের যৌথ বাহিনীর চেয়ারম্যান জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জার সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি।
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ
পাকিস্তানের যৌথ বাহিনীর চেয়ারম্যান জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জার সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি। তার মতে, বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কের উষ্ণতা ভারত বিশেষ করে দিল্লির জন্য এক ধরনের আঞ্চলিক উদ্বেগ বা ‘থ্রেড’ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
সোমবার নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিওতে গোলাম মাওলা রনি বলেন, জেনারেল মির্জা প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় সামরিক লাঠি নিজের পায়ের ওপর রেখে বসেছিলেন, যা বাংলাদেশের জন্য প্রটোকলবহির্ভূত ও অমর্যাদাকর দৃশ্য। তার মতে, “বিশ্বের অন্য কোনো দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে কোনো সামরিক কর্মকর্তা এভাবে বসেছেন— এমন নজির নেই।”
তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান বর্তমানে তাদের সামরিক শক্তিকে অর্থনৈতিক সম্পদ হিসেবে কাজে লাগাতে চায়। কৃষি, শিল্প কিংবা রপ্তানি খাতে দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে না পারায় দেশটি এখন সামরিক সহযোগিতা, নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ও প্রতিরক্ষা বাণিজ্যের মাধ্যমে আয়ের পথ খুঁজছে।
গোলাম মাওলা রনি মনে করেন, জেনারেল মির্জার বাংলাদেশ সফর এবং ড. ইউনূসের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ দিল্লিতে কূটনৈতিক অস্বস্তি সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, “পাকিস্তানি জেনারেলের লাঠি হাতে সেই দৃশ্য দেখার পর দিল্লির মাথা গরম হয়ে গেছে। তারা বাংলাদেশ-পাকিস্তান বন্ধুত্বকে এখন আঞ্চলিক হুমকি হিসেবে দেখছে।”
এর আগে শনিবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জা ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মধ্যে বৈঠক হয়। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
এমবি এইচআর

