মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যা: নারায়ণগঞ্জ থেকে আরও একজন গ্রেপ্তার
পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লালচাঁদ ওরফে মো. সোহাগকে (৩৯) পাথর মেরে নির্মমভাবে হত্যা মামলার আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তারের খবর জানিয়েছে র্যাব।

নিজস্ব প্রতিনিধি: পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লালচাঁদ ওরফে মো. সোহাগকে (৩৯) পাথর মেরে নির্মমভাবে হত্যা মামলার আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তারের খবর জানিয়েছে র্যাব।সোমবার (১৪ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের বালিয়া গ্রাম থেকে নান্নু কাজী (২৭) নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচএম সাজ্জাদ হোসেন। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি বিশেষ দলের অভিযানে আসামি নান্নুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই ভিডিওতে সোহাগের মৃত্যু নিশ্চিত করতে যে চারজনকে ইট ও সিমেন্টের ব্লক দিয়ে আক্রমণ করতে দেখা গিয়েছিল, আসামি নান্নু তাদেরই একজন।
এ নিয়ে এ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে আটজনে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছেন, ওই হত্যাকাণ্ডে যাদের অংশ নিতে দেখা গেছে এবং নেপথ্যে যাদের নাম আসছে, তারা সবাই পূর্ব পরিচিত। একসময় তাদের কয়েকজন সোহাগের ব্যবসার সহযোগী ছিলেন। ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধে এমন ভয়ংকরভাবে কাউকে হত্যা করা হতে পারে, তা পরিচিতজনদের ধারণারও বাইরে।
এ ঘটনায় নিহত সোহাগের বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।
এরপর পুলিশ মাহমুদুল হাসান মহিন (৪১) ও তারেক রহমান রবিনকে (২২) গ্রেপ্তার করে। এ সময় রবিনের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। এরপর শুক্রবার কেরাণীগঞ্জ ইবনে সিনা হাসপাতাল থেকে আলমগীর (২৮) ও মনির ওরফে লম্বা মনির (৩২) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। শুক্রবার গভীররাতে টিটন গাজী (৩২) নামে আরেকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
রবিবার ভোরে নেত্রকোণার দুর্গাপুর পৌর শহর থেকে সজিব ও রাজিব নামে দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
এমবি/টিআই