শাহরিয়ার কবিরের অতীত জালিয়াতির অভিযোগ উত্থাপন ব্যারিস্টার জিন্নাত আলী চৌধুরীর
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা দিয়ে সমালোচনার মুখে ওঠেন আলোচক শাহরিয়ার কবির।
মেঘনাবার্তা প্রতিনিধিঃ
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা দিয়ে সমালোচনার মুখে ওঠেন আলোচক শাহরিয়ার কবির। এ ঘটনার পর তার অতীত ঘিরে নতুন করে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তার এক সময়ের সহকর্মী, লন্ডনপ্রবাসী ব্যারিস্টার অ্যান্ড সলিসিটর জিন্নাত আলী চৌধুরী।
এক ভিডিও বার্তায় ব্যারিস্টার জিন্নাত আলী দাবি করেন, লন্ডনে অবস্থানকালে সুপারশপে কর্মরত শাহরিয়ার কবির নথিতে ভুয়া তথ্য দিয়ে ফুল-টাইম অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে কাজ করতেন, যদিও তার পাসপোর্টে ছিল ‘পার্ট টাইম অনলি’র উল্লেখ। স্টোরের ফাইল আপডেটের সময় বিষয়টি ধরা পড়লে শুরু হয় বিব্রতকর পরিস্থিতি।
জিন্নাত আলীর ভাষ্যমতে, তথ্যগোপন ও নিয়মভঙ্গের কারণে শাহরিয়ার কবিরকে স্টোর কর্তৃপক্ষ বহিষ্কার করতে চাইলেও তিনি হোম অফিসে রিপোর্ট হওয়া ও ভিসা বাতিলের ভয়ে ম্যানেজমেন্টের কাছে ক্ষমা চান এবং কান্নাকাটি করেন। পরে কর্তৃপক্ষ তাকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদ থেকে ডিমোশন দিয়ে সুপারভাইজার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ডিমোশনের পর সহকর্মীদের ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ এড়াতে শাহরিয়ার কবির নাইট শিফটে যোগ দেন এবং সাধারণ লেবার হিসেবে লরি থেকে মাল নামানোর দায়িত্ব নেন। ব্যারিস্টার জিন্নাত অভিযোগ করেন, এ ধরনের জালিয়াতির কারণে বিদেশে বহু বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে ‘লায়্যার’ বা মিথ্যাবাদীর তকমা সহ্য করতে হয়েছে।
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি করার বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে জিন্নাত আলী বলেন, “যে ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুর দেওয়া পাসপোর্ট ব্যবহার করে বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছেন, সেই তিনিই আজ জাতির পিতাকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করছেন—এটাই সবচেয়ে দুঃখজনক।”
ভিডিওর শেষে তিনি দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন “ইতিহাস ও প্রাসঙ্গিক জ্ঞানহীন ব্যক্তিদের” টকশোতে আমন্ত্রণ জানিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করা হয়।
এমবি এইচআর

